প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ার পর নতুন উদ্যমে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করেছে ব্রাজিল। বিরতির সময় কোচ আক্রমণভাগ আরও শক্তিশালী করতে লুকাস পাকেতার পরিবর্তে তরুণ ফরোয়ার্ড এন্দ্রিককে মাঠে নামান। সেই পরিবর্তনের ইতিবাচক প্রভাবও দ্রুত দেখা যায়।
ম্যাচের ৫৬তম মিনিটে সমতায় ফেরে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। মাঝমাঠ থেকে গড়ে ওঠা এক আক্রমণে সুযোগ পেয়ে ব্রাজিলের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার কাসেমিরো জাপানের জালে বল পাঠান। তার গোলে ম্যাচে ১-১ সমতা ফিরে আসে এবং নতুন করে প্রাণ ফিরে পায় সেলেসাও শিবির।
এর আগে ম্যাচের ২৯তম মিনিটে জাপান এগিয়ে যায়। হাইড্রেশন ব্রেকের পরপরই ব্রাজিলের মাঝমাঠে দানিলোর কাছ থেকে লুজ বল কুড়িয়ে নেন জাপানের সানো। দ্রুতগতিতে কাসেমিরোকে পেছনে ফেলে তিনি বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের দুর্দান্ত শট নেন। বলটি পোস্টের নিচের বাম কোণ ঘেঁষে জালে জড়িয়ে গেলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় জাপান।
প্রথমার্ধে সেই গোলেই এগিয়ে ছিল জাপান। তবে দ্বিতীয়ার্ধে কাসেমিরোর গোলে সমতায় ফিরেছে ব্রাজিল। এখন ম্যাচের বাকি সময়ে জয়সূচক গোলের খোঁজে মরিয়া হয়ে খেলছে দুই দল।
বর্তমানে ম্যাচের স্কোর:
ব্রাজিল ১-১ জাপান (৫৬ মিনিট)।