বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

জামায়াত এমপির ভিডিওটি মগবাজারের, ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ

  • সবশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
  • ১০৭ জন সংবাদটি দেখেছেন

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলাম তার ভাইরাল ভিডিও নিয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন, ভিডিওটি ঢাকার মগবাজারের একটি অফিসে ধারণ করা হয়েছে এবং সেখানে থাকা মরিয়ম বেগম নামের ১৮ বছর বয়সী তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দেওয়া এক লিখিত বিবৃতিতে তিনি এ দাবি করেন।

বিবৃতিতে গাজী নজরুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি গত ১৩ জুলাইয়ের। ওই দিন তিনি তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগম এবং ব্যক্তিগত গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহকে নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মো. মাসুম বিল্লাহর মগবাজারের ব্যবসায়িক কার্যালয়ে যান।

তার দাবি, সেখানে অবস্থানকালে গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ পরিকল্পিতভাবে ৬ থেকে ৭ জন অপরিচিত ব্যক্তিকে অফিসে প্রবেশের সুযোগ করে দেন। পরে তারা পরিচয় জানতে চাওয়ার নামে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হেনস্তা করেন এবং নিচে নিয়ে গিয়ে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তাৎক্ষণিকভাবে কিছু টাকা দেওয়ার পর তারা সেখান থেকে বের হতে সক্ষম হন।

গাজী নজরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, পুরো ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন তার গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ ও তার মামা। তাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ব্ল্যাকমেইল এবং চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলেন তিনি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ঘটনার দিন রাত ১০টার দিকে চালক ওবায়দুল্লাহ তার কাছে পাঁচ লাখ টাকা এবং মাসুম বিল্লাহর কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানো হলে অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ ব্যবহার করে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার এবং পরিবারের ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়।

গাজী নজরুল ইসলামের দাবি, পরে সিসিটিভি ফুটেজ ব্যবহার করে একটি বিভ্রান্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যা তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত চরিত্রহননের অপচেষ্টা।

তিনি এ ঘটনাকে গভীর ষড়যন্ত্র উল্লেখ করে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com