ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক নির্ধারণের বিষয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
একই সঙ্গে চেয়ারম্যান পদে কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ না করায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ২৬ ধারা কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।
বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ, সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবীর করা রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে মঙ্গলবার এ রুল জারি করেন।
রুলে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) সচিব, আইন সচিব এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
রিট আবেদনটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কাজী ফেরদাউসুল হাসান ও মো. তানভীর আহমেদ খান।
রুল জারির বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনজীবী কাজী ফেরদাউসুল হাসান বলেন, একজন ইউপি চেয়ারম্যানকে গ্রাম আদালত পরিচালনাসহ গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। গ্রাম আদালতে তিনি তিন লাখ টাকা মূল্যমান পর্যন্ত মামলার বিচার করতে পারেন।
তিনি বলেন, “যে ধরনের বিচারিক ক্ষমতা একজন ম্যাজিস্ট্রেট প্রয়োগ করেন, সেই পদে নিয়োগের জন্য আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি এবং বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের (বিজেএসসি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার শর্ত রয়েছে। অথচ একজন ইউপি চেয়ারম্যানের ক্ষেত্রে কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়নি।”
এ কারণে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর চেয়ারম্যানের যোগ্যতা-সংক্রান্ত ২৬ ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করা হয়েছে এবং চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রি বাধ্যতামূলক করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।