অ্যানিমেশন সিনেমা ‘দ্য লায়ন কিং’-এর সিম্বার মতোই এবার বাস্তবের এক সিংহশাবকের রাজা হয়ে ওঠার গল্প নিয়ে হাজির হচ্ছে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের নতুন ডকু সিরিজ ‘লায়ন’।
কেনিয়ার বিখ্যাত মাসাই মারা অভয়ারণ্যে টানা চার বছর ধরে ‘কিও’ নামের একটি বন্য সিংহশাবকের জীবন ক্যামেরাবন্দী করেছেন নির্মাতারা। শৈশব থেকে শুরু করে পূর্ণাঙ্গ সিংহ এবং শেষ পর্যন্ত দলের প্রধান হয়ে ওঠার পুরো যাত্রা দেখা যাবে চার পর্বের এই সিরিজে।
ওয়াইল্ডলাইফ প্রোডাকশনের ইতিহাসে কোনো একক সিংহশাবকের জীবন এত দীর্ঘ সময় ধরে ধারাবাহিকভাবে ধারণ করার ঘটনা এটিই প্রথম বলে জানানো হয়েছে।
‘লায়ন’ নির্মাণে স্থানীয় কেনীয় চিত্রগ্রাহক ও নির্মাতাদের নিয়ে গঠিত দলটি চার বছরে ৫২টি আলাদা ধাপে কাজ করেছে। একটি সিংহের পালকে অনুসরণ করতে তারা বন্য পরিবেশে প্রায় ১ হাজার ৪০০ দিন কাটিয়েছে।
ডকু সিরিজটির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ‘দ্য লায়ন কিং’ (২০১৯) সিনেমার নির্মাতা জন ফেভরু। নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে আছেন বিবিসি স্টুডিওস ন্যাচারাল হিস্ট্রি ইউনিটের মাইক গানটন। আর আবহসংগীত পরিচালনা করেছেন অস্কারজয়ী সংগীতশিল্পী হ্যান্স জিমার।
প্রকৃতির কঠিন বাস্তবতার পাশাপাশি সিরিজটিতে থাকছে আবেগ, নাটকীয়তা ও রোমাঞ্চ। কিওর চারপাশে জিরাফ, জেব্রা ও অন্যান্য বন্য প্রাণীর বিচরণ, এমনকি হাতির ডাক শুনে মায়ের কাছে ছুটে যাওয়ার মতো বিরল দৃশ্যও দেখা যাবে।
জন ফেভরুর ভাষায়, চার বছর ধরে সিংহের পালকে অনুসরণ করতে গিয়ে নির্মাতারা বারবার বিস্মিত হয়েছেন। কিওর প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠার গল্পকে তিনি প্রকৃতির বুকে এক ‘হিরোস জার্নি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
‘লায়ন’ ডকু সিরিজটি ১৯ আগস্ট ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলে প্রচারিত হয়েছে। পরদিন, ২০ আগস্ট থেকে এটি ডিজনি প্লাস ও হুলুতে দেখার সুযোগ রয়েছে।