কুড়িগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় গত ৭২ ঘণ্টায় নাশকতা, অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি ও সহিংস কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনার অভিযোগে বিশেষ অভিযানে ৫১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশের মিডিয়া সেল জানায়, বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বিশেষ অভিযানে নতুন করে আরও ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে গত তিন দিনে জেলার বিভিন্ন থানায় মোট ৫১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন— নাগেশ্বরীর লিটন মিয়া, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক নির মোহাম্মদ (৫৫), রৌমারী সরকারি ডিগ্রি কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ সুজন (৩৯), উপজেলা ছাত্র সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমরান হোসেন (২৭), উপজেলা যুব সংগঠনের সদস্য রেজাউল করিম (৪২), কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভাঙ্গামোড় ইউনিয়নের নুর ইসলাম ওরফে মাইনাস (৫২), ফুলবাড়ী উপজেলা যুব সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক আশরাফুল হক মণ্ডল (৩৮), ফুলবাড়ী ডিগ্রি কলেজের যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন পোদ্দার (৩৭), রাজারহাটের ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের সভাপতি গোপাল চন্দ্র বসুনিয়া (৬০), ভূরুঙ্গামারীর তিলাই ইউনিয়ন যুব সংগঠনের সভাপতি জহির উদ্দিন (৪০), নাগেশ্বরীর আশরাফুল আলম (৪২), রায়গঞ্জ শ্রমিক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক দুলাল মিয়া (৪৫)
তাদের বিরুদ্ধে নাশকতা, সহিংস কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নের অভিযোগে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানায়।
কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উলিপুর সার্কেল) মো. আশরাফুল আলম (পিপিএম) বলেন, “তথাকথিত লকডাউনকে কেন্দ্র করে নাশকতা ও সহিংসতার আশঙ্কায় কুড়িগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গত তিন দিনে এসব মামলায় ৫১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এই অভিযান নিয়মিত চলবে।”