ঠাকুরগাঁও সদর, ভুল্লি ও রুহিয়া নিয়ে গঠিত এ আসনে জাতীয় নির্বাচনের আট মাসের মাথায় আবারও ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর আসনটি শূন্য হলে উপনির্বাচনের আয়োজন করা হয়।
নির্বাচন উপলক্ষে স্থানীয় প্রশাসন সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। এর আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়।
ভোটকেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে একটি মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। এ সেল থেকে ভোটকেন্দ্র, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও ভোটগ্রহণের ব্যবস্থাপনা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ২০ আগস্ট ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদকে ২৫৫ ভোটে পরাজিত করে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য হয়।