বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

শহীদ আবু সাঈদের বাবা দাবি

“আমার ছেলের হত্যাকারীদের ফাঁসি দেখতে চাই”

  • সবশেষ আপডেট : সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২১১ জন সংবাদটি দেখেছেন
শহীদ আবু সাঈদ-সংগৃহীত ছবি
শহীদ আবু সাঈদ-সংগৃহীত ছবি

চব্বিশ জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনালে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যু দণ্ড ঘোষণার পর, শহীদ আবু সাঈদের পরিবার আশা প্রকাশ করেছেন দ্রুত বিচারের মাধ্যমে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেখতে।

শহীদ আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন বলেছেন, “আমি রায়ের খবর শুনে খুশি, কিন্তু শুধু রায় যথেষ্ট নয় — বিচার দেখতে চাই। আমার ছেলে গুলিতে মেরে ফেলা হয়েছে। আমি চাই, যাদের নির্দেশ ছিল তাদের এবং পুলিশকে তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে দেশবাসীকে দেখানো হোক।”

তিনি আরো বলেন, “হত্যার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল — তাই হাজার হাজার মানুষকে গুলি করা হয়েছে, অনেককে হাত-পা হারাতে হয়েছে, কেউ পঙ্গু হয়েছেন, কেউ চোখ হারিয়েছেন। এসবের প্রতিশোধ হওয়া উচিত।”

শহীদ সাঈদের মা মনোয়ারা বেগমও তার দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “আমরা শুধু রায় চাইছি না — যেসব মা, ভাই, বোন সন্তান হারিয়েছে, তাদের জন্য হলেও বিচার হবে। যারা গুলি করেছে, তারা ফাঁসির দড়িতে ঝুলতে হবে।”

আবু সাঈদের বড় ভাই আবু হোসেন বলেন, “রায়ে সন্তোষ আছে, কিন্তু যথাযথ রূপায়ণ না হলে শহীদদের আত্মা শান্তি পাবে না। আদালতের সিদ্ধান্ত কার্যকর হোক, এবং দোষীদের দেশে এনে বিচার সম্পন্ন করতে হবে।”

বাদী ও আরেক ভাই, রমজান আলী, মন্তব্য করেন যে হত্যাকাণ্ড ছিল প্রকাশ্যে এবং সরকারি নির্দেশে গৃহীত পদক্ষেপ। তিনি দাবি করেন, “সেই সময়ের সরকারের উচ্চপর্যায়ে এই হত্যার নির্দেশ ছিল, এবং পুলিশ সে নির্দেশ পালনে গুলি চালিয়েছে।”

গ্রামের স্থানীয়রা রায়ের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলছেন: “রায় হয়তো হয়েছে, কিন্তু কার্যকর না হলে এ যেন বাতাসে লেখা একটি কথা।” তারা আরো দাবী করেছেন, শহীদ ও আহত পরিবারগুলোর নিরাপত্তা এবং বিচার নিশ্চিত করার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

এই মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর তিন সদস্যের প্যানেল রায় ঘোষণা করেছেন। অন্যদিকে, মামলার অপর আসামি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, যিনি রাজসাক্ষী হয়েছেন, পাঁচ বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com