এসপি পদে বদলি নিশ্চিত করতে ৫০ লাখ টাকার ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা মো. আব্দুল হান্নানকে ‘তিরস্কার’ দণ্ড দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বর্তমানে তিনি বরিশাল মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা–১ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়—বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে।
তদন্তে উঠে আসে—২০২৩ সালে নরসিংদীর এসপি হতে মধ্যস্থতাকারী রবিউল মুন্সিকে ৫০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছিল। তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তখন পদায়ন হয়নি। পরে ২০২৪ সালের নভেম্বরে তিনি এসপি হিসেবে যোগ দেন।
দায়িত্ব নেওয়ার পর ঢাকায় গিয়ে মধ্যস্থতাকারীর অফিস থেকে ৫ লাখ টাকা ফেরত নেন হান্নান ও ডিবি ইনচার্জ। বাকি ৪৫ লাখ ফেরতের অঙ্গীকারনামাও নেওয়া হয়।
এদিকে, এক সাংবাদিকের সঙ্গে ফোনালাপে ঘুষ লেনদেন ও ব্যক্তিগত কাজে অধস্তনদের ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকার করায় বিষয়টি গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হলে শুরু হয় বিভাগীয় তদন্ত।
তদন্ত, শুনানি এবং নথিপত্র যাচাইয়ে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে লঘু শাস্তি হিসেবে ‘তিরস্কার’ দেয় সরকার।
ঘুষ লেনদেনের মতো গুরুতর অভিযোগে শুধু তিরস্কার—এ সিদ্ধান্ত নিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে মন্ত্রণালয় বলছে—বিধিমালার আওতাতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।