বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

আপাতত দেশে ফেরা হচ্ছে না তারেক রহমানের, নেপথ্যে ৫ কারণ

  • সবশেষ আপডেট : বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২২০ জন সংবাদটি দেখেছেন

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরছেন—বেগম খালেদা জিয়ার গুরুতর অসুস্থতার পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে এমন জোরালো জল্পনা-গুঞ্জন শুরু হয়। তবে দলীয় ও কূটনৈতিক সূত্র বলছে, অন্তত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে তার দেশে ফেরার সম্ভাবনা নেই। নেপথ্যে রয়েছে কূটনীতি, নিরাপত্তা, আইনি জটিলতা ও রাজনৈতিক সমীকরণসহ পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমান সোমবার রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে লিখেন— “এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহস্পর্শ পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা আমারও রয়েছে। কিন্তু এটা বাস্তবায়নে একক সিদ্ধান্ত আমার নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।”

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখনও সংকটাপন্ন। তিনি বিদেশে চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে বলে একাধিক দলের শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন।

যুক্তরাজ্য, কাতারসহ কয়েকটি দেশের সঙ্গে বিএনপির চলমান রাজনৈতিক সংলাপ ও পরবর্তী নির্বাচনে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করার কূটনীতি এখন অতি সংবেদনশীল। এই অবস্থায় তার দেশে ফেরা আলোচনায় জটিলতা তৈরি করতে পারে।

দলীয় সূত্রের দাবি, দেশে ফেরা মাত্রই তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার বা রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় করার অপচেষ্টা হতে পারে। তাই নিরাপত্তা ঝুঁকি এখনো বড় বাধা।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানিয়েছেন, তারেক রহমান এখনও ট্রাভেল পাসের আবেদন করেননি। আবেদন করলে সরকার সহযোগিতা করবে বলে জানালেও, বিএনপির ভেতরে এ বিষয়ে কৌশলগত আলোচনা চলছে।

বিভিন্ন মামলার রায়, যাচাই-বাছাই এবং ক্ষমতাচ্যুত সরকারের সময়কার বিধিনিষেধ এখনো সম্পূর্ণ সমাপ্ত হয়নি। দেশে ফিরলে আদালত-প্রশাসনিক জটিলতা সামনে আসবে।

দলীয় নীতিনির্ধারকদের মতে, নির্বাচনের আগে দেশে ফেরা হলে তারেক রহমানের রাজনীতিক অবস্থান ঝুঁকিতে পড়তে পারে। বরং পরিস্থিতি অনুকূলে এলে মায়ের বিদেশ যাত্রা ও চিকিৎসা ঘিরে দেশে প্রত্যাবর্তনের কৌশল কার্যকর হতে পারে।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড খালেদা জিয়ার বিদেশে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা পর্যালোচনা করছে। লন্ডনের লন্ডন ক্লিনিক হাসপাতালই পরিবারের প্রথম পছন্দ। কাতার সরকার প্রয়োজনে বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠাতে প্রস্তুত বলেও বিএনপি সূত্র জানিয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন— “খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সংক্রান্ত বোর্ড যদি বিদেশে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তা দেখেই তারেক রহমান দেশে ফেরার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।”

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল আরও বলেন— “তারেক রহমানের দেশে ফেরায় কোনো অনিশ্চয়তা নেই। সময় হলেই তিনি ফিরবেন।”

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com