সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৩ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম চা শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ধেয়ে আসছে মৌসুমি নিম্নচাপ, বৃদ্ধি পাচ্ছে বাতাসের গতিবেগ এক যুবককে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন তিন বোন চিকিৎসার জন্য কোথায় যাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অক্টোবরে ভারতে খেলতে পারে ব্রাজিল, আলোচনায় বাংলাদেশও বিরামপুর সীমান্তে ৯ নারীকে ‘পুশ-ইন’ চেষ্টার অভিযোগ, প্রতিহত করল বিজিবি সেকেন্ড-হ্যান্ড স্মার্টফোন কেনার আগে যে ৭ বিষয় অবশ্যই যাচাই করবেন সান্তোসের ম্যাচ চলাকালে পোকার টুর্নামেন্টে নেইমার, নেটদুনিয়ায় বিতর্ক

রংপুর-গাইবান্ধায় ১০ স্থানে তীব্র অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক: মাঠে অনুসন্ধান দল

  • সবশেষ আপডেট : বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১২৫ জন সংবাদটি দেখেছেন

অ্যানথ্রাক্স সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে রংপুর ও গাইবান্ধা জেলায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর (DLS) গঠন করেছে তিন সদস্যের উচ্চপর্যায়ের অনুসন্ধান দল, যারা আক্রান্ত এলাকা পরিদর্শন করছে এবং নমুনা সংগ্রহ করছে।

অনুসন্ধান দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. বয়জার রহমান। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন অধিদপ্তরের এপিডেমিওলজি সেলের ডা. ফয়সাল তালুকদার এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার ডা. তায়ফুর রহমান।

মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) অনুসন্ধান দলটি রংপুরের কাউনিয়া ও পীরগাছা উপজেলার কয়েকটি এলাকায় অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত খামারি ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
দলটি মৃত গবাদিপশু, ঘাস ও মাটির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর)।

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় আরও দুই ব্যক্তির শরীরে অ্যানথ্রাক্স সংক্রমণের উপসর্গ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আবু মো. আলেমুল বাসার।
তিনি বলেন, “মৌভাষা এলাকা কাউনিয়ার হারাগাছ সংলগ্ন। যেহেতু আশপাশে অ্যানথ্রাক্স শনাক্ত হয়েছে, তাই আমরা সন্দেহভাজন হিসেবে তাদের নমুনা পাঠিয়েছি।”

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানিয়েছে, গবাদিপশুর সংগৃহীত ১১টি মাংসের নমুনার মধ্যে ১০টিতেই অ্যানথ্রাক্স পজিটিভ পাওয়া গেছে। আক্রান্ত এলাকার পশুদের টিকাদান নিশ্চিত করতে “রিং মডেল” অনুসারে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

ডা. বয়জার রহমান বলেন, “আমরা মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি এবং একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রস্তুত করছি। সংক্রমণের উৎস শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে আক্রান্ত গবাদিপশুর মৃতদেহ পুঁতে ফেলতে হবে, খোলা জায়গায় ফেলা যাবে না। আক্রান্ত এলাকা থেকে মাংস বা দুধ বিক্রি নিষিদ্ধ করতে হবে এবং পশুগুলোকে দ্রুত টিকা দিতে হবে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com