উত্তরের জেলা নীলফামারীতে জেঁকে বসেছে শীত। হিমেল হাওয়া আর কনকনে ঠান্ডায় কাঁপছে পুরো অঞ্চল। শৈত্যপ্রবাহ না থাকলেও ঘন কুয়াশা এবং শীতল বাতাসে স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ৬টায় সৈয়দপুর আবহাওয়া অফিসে জেলার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন এই শীত ও ঘন কুয়াশার পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। সরেজমিন দেখা গেছে, ভোর থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলছে না। চারপাশে ঘন কুয়াশার চাদর, বিশেষ করে চরাঞ্চল ও নদীবিধৌত এলাকায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। এসব অঞ্চলের বাসিন্দারা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে।
শীতে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ, দিনমজুর এবং চরাঞ্চলের হাজারো পরিবার। অনেকেই সকালে কাজে বের হতে পারছেন না। ঠান্ডাজনিত রোগে স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। কুয়াশার কারণে সড়ক যোগাযোগেও বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে যানবাহন ধীরগতিতে চলছে; এতে যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়েছে।
সৈয়দপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান হাকিম জানান, “পৌষের শুরুতে হঠাৎ করেই শীতের মাত্রা বেড়েছে। আজ সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।”