বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফাউল করেও কেন রেফারির নজর এড়িয়ে গেলেন মেসি? প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেটে, শ্রীমঙ্গলে কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে অংশ নেবেন এআই দিয়ে ব্রাজিলের জার্সি পরিয়ে ছবি ছড়ানোর অভিযোগ, থানায় আর্জেন্টিনা সমর্থক কারমাইকেল কলেজে শিবিরের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি ভারতীয় টমেটো আমদানি বন্ধের দাবিতে পঞ্চগড়ে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ রৌমারী সীমান্তে শূন্যরেখায় ৯ বাংলাদেশি, অসুস্থ শিশুদের নিয়ে মায়ের আকুতি ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের মামলায় কারাগারে শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা জিসান আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ হরমুজ প্রণালি উন্মুক্তের খবরে তেলের মূল্য পূর্বাভাস কমাল বড় ব্যাংকগুলো

উত্তরাঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ, কষ্ট বাড়ছে জনজীবনে

  • সবশেষ আপডেট : শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৬৮ জন সংবাদটি দেখেছেন
উত্তরাঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ, কষ্ট বাড়ছে জনজীবনে
উত্তরাঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ, কষ্ট বাড়ছে জনজীবনে
ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত হয়েছে রংপুরসহ দেশের উত্তরাঞ্চলের জনজীবন। মৃদু শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে পুরো এলাকায় হাড় কাঁপানো শীত অনুভূত হচ্ছে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সূর্যের দেখা না পাওয়ায় প্রকৃত তাপমাত্রার তুলনায় শীতের তীব্রতা আরো বেশি অনুভূত হচ্ছে, জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকালে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

রংপুরে তাপমাত্রা ছিল ১১.৫ ডিগ্রি, সৈয়দপুরে ১১.৪, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১১, ঠাকুরগাঁওয়ে ১১.১, দিনাজপুরে ১২, কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ১১.৪, লালমনিরহাটে ১২ এবং গাইবান্ধায় ১২.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।ঘন কুয়াশার কারণে মানুষ বাড়ির বাইরে বের হচ্ছে না। ভোর ও সকালবেলায় দৃশ্যমানতা এতটাই কমে যাচ্ছে যে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। দিনের বেলায়ও অনেক যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে, যার ফলে সড়ক ও মহাসড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে।

হাসপাতালগুলোতেও শীতজনিত রোগে রোগীর চাপ বেড়েছে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া ও অন্যান্য ঠাণ্ডাজনিত জটিলতায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। গত পাঁচ দিনের তুলনায় বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সকালে রোগীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, গত এক মাসে আগুন পোহাতে গিয়ে অন্তত ৮ জন অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শীতের প্রভাবে গ্রামাঞ্চলেও আগুন পোহাতে গিয়ে দুর্ঘটনা বেড়েছে।

শীত ও কুয়াশার প্রভাব পড়েছে কৃষিতেও।

ঘন কুয়াশার কারণে সবজি চাষে ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। পর্যাপ্ত রোদ না পাওয়ায় ফসলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, ফলে উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।রংপুর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মোস্তাফিজার রহমান জানান, এই শৈত্যপ্রবাহ ও কুয়াশা আরো তিন থেকে চার দিন অব্যাহত থাকতে পারে। তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কুয়াশার মধ্যে যান চলাচলের সময় অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এছাড়া শীতজনিত রোগ ও দুর্ঘটনা এড়াতে গরম কাপড় ব্যবহার এবং আগুন পোহানোর ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© All rights reserved © 2025 rnbnews24
Theme Download From ThemesBazar.Com