মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আদিতমারীতে বাকবিতণ্ডা থেকে সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে কিশোর নিহত ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার আবেদন খারিজ পীরগঞ্জে মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ গঠনে সেমিনার অনুষ্ঠিত রোগী হয়রানির অভিযোগে দালালকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালো ছাত্রদল ছয় দফা দাবিতে রংপুরে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি ও মানববন্ধন মিঠাপুকুরে বিষাক্ত অ্যালকোহল পানে ৫ মৃত্যুর ঘটনায় দুই আসামি গ্রেপ্তার নির্বাচিত হওয়ার একদিন পরই বিসিবির পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ মীর শাকরুল আলম সীমান্তের কর্ণফুলী নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার বাজেটের অর্থ অপচয়ের অধিকার কাউকে দেয়নি জনগণ: চরমোনাই পীর সৈয়দপুরে লাশ নিয়ে এলাকাবাসীর থানা ঘেরাও

ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে বিপর্যস্ত রংপুরের জনজীবন

  • সবশেষ আপডেট : শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১১৩ জন সংবাদটি দেখেছেন
শীত-ফাইল ছবি
শীত-ফাইল ছবি

ঘন কুয়াশা ও হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে রংপুরসহ বিভাগের আট জেলার জনজীবন। টানা কয়েক দিন ধরে সূর্যের দেখা না মেলায় এবং হিমেল বাতাসের দাপটে শীতের তীব্রতা বহুগুণে বেড়েছে। কুয়াশার ঘনত্ব এতটাই বেশি যে, অনেক স্থানে কাছের বস্তু পর্যন্ত স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না।

তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় খুব প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে হচ্ছে, ফলে সড়কে বাড়ছে ঝুঁকি।

রংপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) ভোর ৬টা পর্যন্ত বিভাগের বিভিন্ন জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে—রংপুরে ১১ দশমিক ৮, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১১ দশমিক ৫, কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ১১ দশমিক ২, নীলফামারীর ডিমলায় ১৩ দশমিক ৮, সৈয়দপুরে ১৩, দিনাজপুরে ১২ দশমিক ৭, ঠাকুরগাঁওয়ে ১৩, লালমনিরহাটে ১২ দশমিক ৬ এবং গাইবান্ধায় ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশার ঘনত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত স্থায়ী থাকছে। গত তিন দিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছে খুব অল্প সময়ের জন্য। সন্ধ্যার পর থেকে শীতের প্রকোপ আরও বেড়ে যায় এবং রাত গভীর হলে তাপমাত্রা আরও কমে আসে।

রংপুর আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোস্তাফিজার রহমান জানান, বছরের শেষ দিকে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে এবং মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে রংপুর বিভাগীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শীতার্ত মানুষের জন্য আট জেলায় কম্বলসহ শীতবস্ত্র সরবরাহ করা হয়েছে এবং বিতরণ কার্যক্রম চলছে।

শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাস জ্বর, নিউমোনিয়া, সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট ও কোল্ড ডায়রিয়াসহ ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপও বেড়েছে। উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ চিকিৎসাকেন্দ্র রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন শত শত রোগী চিকিৎসা নিতে ভিড় করছেন।

বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. শহীদুল ইসলাম জানান, এ বছর শীতের তীব্রতা তুলনামূলক বেশি। তিনি শিশুদের গরম পোশাক পরানো, অপ্রয়োজনে বাইরে না বের করা এবং ঠান্ডা লাগা থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© All rights reserved © 2025 rnbnews24
Theme Download From ThemesBazar.Com