বাংলাদেশের বিনোদন অঙ্গনের জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ। অভিনয়ের পাশাপাশি ক্রিকেটপ্রেমেও বরাবরই পরিচিত তিনি। এবার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) নতুন ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে তাকে—নিজ জেলা নোয়াখালীর দল নোয়াখালী এক্সপ্রেস–এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে।
শনিবার ঢাকায় শুটিং শেষ করে সিলেটে এসে মাঠে বসে নিজের দলের খেলা উপভোগ করেন পলাশ। তার আগে ঢাকাপোস্টকে দেওয়া এক আলাপচারিতায় উঠে আসে ক্রিকেটের প্রতি তার আবেগ, প্রিয় ক্রিকেটার, এমনকি শুটিং ফাঁকি দিয়ে বাংলাদেশের খেলা দেখার গল্পও।
প্রথমবার বিপিএলের সঙ্গে যুক্ত হওয়া নিয়ে পলাশ বলেন, “এটা অবশ্যই গর্বের বিষয়। বিপিএলের মতো বড় টুর্নামেন্টে নিজের জেলার দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারাটা আলাদা আনন্দের।” ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডরের দায়িত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “একটা দলকে ধারণ করা মানে বড় সম্মান। মাঠে এসে দলকে উজ্জীবিত করাই আমার কাজ।”
শৈশবের স্বপ্নের কথা জানিয়ে পলাশ বলেন, “ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেটার হওয়ার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু জীবনের সব চাওয়া তো পূরণ হয় না। এখন বাইরে থেকে ক্রিকেট উপভোগ করছি।”
নিজের অভিনয়জীবনের মোড় ঘোরানো কাজ সম্পর্কে তিনি বলেন, “ব্যাচেলর পয়েন্ট আমার ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট। এই নাটকের পরই মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি।” সবচেয়ে আলোচিত মন্তব্যটি আসে প্রিয় ক্রিকেটার প্রসঙ্গে। সাকিব আল হাসান–এর খেলা দেখার পাগলামির কথা বলতে গিয়ে পলাশ বলেন, “২০১৯ বিশ্বকাপটা আমার কাছে খুব স্পেশাল। সাকিবের পারফরম্যান্স আজও চোখে ভাসে। তখন শুটিং চলত—আমি অনেক সময় মিথ্যা কথা বলে শুটিং ফাঁকি দিয়ে বাংলাদেশের খেলা দেখেছি।”
তিনি বলেন, “খেলা যেদিন থাকত, সেদিন ডেট থাকলেও দিতাম না। একটাই চিন্তা—খেলা দেখতেই হবে।” পলাশের স্পষ্ট উত্তর,
“অবশ্যই মিস করি। সাকিবের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটার থাকলে যে কোনো দলের শক্তি বেড়ে যায়। তার জায়গাটা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।”
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সুপারস্টার কে—এই প্রশ্নে পলাশ বলেন,
“আমার কাছে সাকিব আল হাসানই। ওই জায়গায় যেতে হলে হামজাকে অনেক বছর সাধনা করতে হবে। সাকিবের জার্নি ১৮ বছরের।”