মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

দিনাজপুরে পুলিশ সুপারের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি: দুই প্রতারক গ্রেপ্তার

  • সবশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৪১ জন সংবাদটি দেখেছেন

একটি ফোনকলই ছিল প্রতারণার শুরু। ফোনের ওপাশ থেকে আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে বলা হয়—আমি পুলিশ সুপার বলছি। ক্ষমতাধর পরিচয়ের সেই দাবিতে বিশ্বাস স্থাপন হয় মুহূর্তেই। আর সেই বিশ্বাসকে পুঁজি করেই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া হয় বিপুল অঙ্কের টাকা।তবে শেষ পর্যন্ত প্রযুক্তির সহায়তায় প্রতারণার এই জাল ছিন্ন করেছে পুলিশ। দিনাজপুরের পুলিশ সুপার জেদান আল মুসার নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) আনোয়ার হোসেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার রয়েরবাড়ি চরহোসেনপুর গ্রামের ইদ্রিস খন্দকারের ছেলে জুনাইদ খন্দকার (২৪) এবং ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার চরহোসেনপুর এলাকার এরশাদ আলীর ছেলে মো. হিমেল (২২)।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তরা নিজেদের পুলিশ সুপার পরিচয় দিয়ে দিনাজপুরের চিরিরবন্দরের দুই প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করে। তারা নির্বাচনকালীন সময়ে দিনাজপুর–চিরিরবন্দর সড়কে পুলিশ বক্স স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেয়। এই আশ্বাসে বিশ্বাস করে ভুক্তভোগীরা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রায় দুই লাখ টাকা প্রদান করেন।

কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও কোনো কার্যক্রম দৃশ্যমান না হওয়ায় সন্দেহ তৈরি হয়। বিষয়টি প্রকৃত পুলিশ সুপারকে জানানো হলে প্রতারণার পুরো চিত্র সামনে আসে। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ গাজীপুর ও ময়মনসিংহে অভিযান চালিয়ে প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে আটক করে।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এই চক্রটি শুধু দিনাজপুরেই নয়, দেশের বিভিন্ন এলাকায় সক্রিয়। তারা সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী এমনকি সরকারি কর্মকর্তাদেরও টার্গেট করে ভয়ভীতি ও উন্নয়নের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে।

তিনি আরও জানান, সম্প্রতি এই চক্র নতুন করে প্রতারণার পরিকল্পনা করছিল।

এ ঘটনায় চিরিরবন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চক্রটির অন্য সদস্য ও মূল হোতাদের শনাক্ত করা হয়েছে। খুব শিগগিরই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com