সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৩ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম চা শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ধেয়ে আসছে মৌসুমি নিম্নচাপ, বৃদ্ধি পাচ্ছে বাতাসের গতিবেগ এক যুবককে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন তিন বোন চিকিৎসার জন্য কোথায় যাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অক্টোবরে ভারতে খেলতে পারে ব্রাজিল, আলোচনায় বাংলাদেশও বিরামপুর সীমান্তে ৯ নারীকে ‘পুশ-ইন’ চেষ্টার অভিযোগ, প্রতিহত করল বিজিবি সেকেন্ড-হ্যান্ড স্মার্টফোন কেনার আগে যে ৭ বিষয় অবশ্যই যাচাই করবেন সান্তোসের ম্যাচ চলাকালে পোকার টুর্নামেন্টে নেইমার, নেটদুনিয়ায় বিতর্ক

৩৫ জেলায় নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণ মৃত্যু ৪ জনের

  • সবশেষ আপডেট : শনিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১০৯ জন সংবাদটি দেখেছেন

আরএনবি ডেস্কঃ দেশে নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি আবারও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। ইতোমধ্যে দেশের ৩৫টি জেলায় এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। গত বছর নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। নিহত প্রত্যেকের শরীরেই নিপাহ ভাইরাসের উপস্থিতি পরীক্ষায় নিশ্চিত করা হয়। রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, ২০২৪ সালে দেশে নিপাহ ভাইরাসে মোট পাঁচজন আক্রান্ত হন এবং তাদের মধ্যে পাঁচজনই মারা যান।  আইইডিসিআরের মিলনায়তনে ‘নিপাহ ভাইরাসের বিস্তার ও ঝুঁকি’ বিষয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। সভায় আইইডিসিআরের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা জানান, বাংলাদেশে প্রতি বছর শীত মৌসুমে নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা যায়। এটি অত্যন্ত প্রাণঘাতী একটি ভাইরাস, যেখানে আক্রান্ত রোগীদের প্রায় ৭২ শতাংশের মৃত্যু ঘটে। সাধারণত শীতকালে কাঁচা খেজুরের রস পান করার মাধ্যমে এই ভাইরাস মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। এ ছাড়া প্রায় ২৮ শতাংশ ক্ষেত্রে একজন আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে অন্যজনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। তিনি আরও বলেন, নিপাহ ভাইরাসের বিরুদ্ধে এখনো কার্যকর কোনো ওষুধ বা টিকা আবিষ্কৃত হয়নি, যা পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। সভায় আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের সংক্রামক রোগ বিভাগের সহযোগী বিজ্ঞানী ও নিপাহ ভাইরাস জরিপ সমন্বয়কারী ডা. সৈয়দ মঈনুদ্দিন সাত্তার জানান, দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৩৫ জেলায় নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ফরিদপুর, রাজবাড়ী, নওগাঁ ও লালমনিরহাট জেলায় সংক্রমণ ও মৃত্যুহার তুলনামূলকভাবে বেশি। তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এসব জেলায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সভায় নিপাহ ভাইরাস প্রতিরোধে জনসচেতনতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বক্তারা বলেন, এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাঁচা খেজুরের রস পান না করা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে প্রতি বছরের মতো এবারও এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে।সভায় সভাপতিত্ব করেন আইইডিসিআরের পরিচালক তাহমিনা শিরীন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নাজমুল হোসেনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com