শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল মাত্র তিন রান। ব্যাট হাতে স্ট্রাইকে ছিলেন তাওহিদ হৃদয়, বোলিংয়ে জিমি নিশাম। ব্যক্তিগত সেঞ্চুরি থেকে এক ধাপ দূরে দাঁড়িয়ে নিশামের ছোড়া ওয়াইড ইয়র্কার ব্যাটে লাগালেও বল সীমানা ছুঁতে পারেনি। রান আসেনি, আর তাতেই হৃদয়ের ক্যারিয়ারের স্মরণীয় শতকটি অধরাই থেকে যায়।
তবে ব্যক্তিগত আক্ষেপ ছাপিয়ে দলের কাজে দারুণ অবদান রাখেন হৃদয়। তার অপরাজিত ৯৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে ভর করে রংপুর রাইডার্স দাঁড় করায় ১৭৮ রানের লড়াকু সংগ্রহ। লক্ষ্য তাড়া করতে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স‑এর সামনে দাঁড়ায় ১৭৯ রানের বড় চ্যালেঞ্জ।
শুক্রবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিপিএলের ২১তম ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নামে রংপুর। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে দলটি তোলে ১৭৮ রান। ইনিংসের মাঝপথে ৭২ রানে তিন উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপেও পড়ে তারা। বিশেষ করে ইফতিখার আহমেদের ধীরগতির ব্যাটিংয়ে (১৫ বলে ৮ রান) রানের গতি কমে যায়।
সেই চাপের মুহূর্তে ম্যাচে রংপুরকে ফেরান হৃদয় ও খুশদিল শাহ। চতুর্থ উইকেটে এই জুটি গড়ে তোলে ১০৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ পার্টনারশিপ। ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় রিপন মণ্ডলের করা ১৯তম ওভারে। ওই ওভারেই চারটি ছক্কাসহ আসে ২৮ রান। খুশদিল ২৯ বলে ৪৪ রান করে শেষ ওভারে ফিরে গেলেও একপ্রান্তে অবিচল থাকেন হৃদয়।
ইনিংসের শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন হৃদয়। পাওয়ারপ্লেতে ২০ বলে করেন ৩৬ রান। মাঝের ওভারগুলোতে ধৈর্য ধরলেও শেষদিকে রাজশাহীর বোলারদের ওপর ঝড় তোলেন তিনি। ৫৬ বলের অনবদ্য ইনিংসে ৮টি চার ও ৬টি ছক্কা হাঁকিয়ে ৯৭ রানে অপরাজিত থাকেন এই ডানহাতি ব্যাটার।