যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিতব্য আগামী ফুটবল বিশ্বকাপের পর্দা উঠতে আর প্রায় পাঁচ মাস বাকি। ১১ জুন মেক্সিকোতে শুরু হতে যাওয়া এই আসর হবে ইতিহাসের প্রথম ৪৮ দলের বিশ্বকাপ। তার আগেই বিশ্বভ্রমণের অংশ হিসেবে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে বহুল আকাঙ্ক্ষিত বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর‑এ অবতরণ করে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি। এটি বাংলাদেশে ট্রফিটির চতুর্থ আগমন। এবারের সফরে ফিফার প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল দলের মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা।
ফিফার দীর্ঘদিনের রীতি অনুযায়ী, প্রতিটি বিশ্বকাপের আগে ট্রফিটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঘুরে দেখানো হয়। সর্বশেষ ২০২২ সালে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছিলেন প্রায় পাঁচ কেজি ওজনের ১৮ ক্যারেট স্বর্ণে নির্মিত এই ঐতিহাসিক ট্রফি। এর আগে ২০০২ ও ২০১৩ সালেও বাংলাদেশে এসেছিল বিশ্বকাপ ট্রফি।
বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিক ট্রফি বরণ শেষে ফিফার বৈশ্বিক স্পন্সর কোকা-কোলা–এর ব্যবস্থাপনায় দুপুর ২টা ৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঢাকার পাঁচতারকা হোটেল র্যাডিসন ব্লু ঢাকা‑তে প্রদর্শনের জন্য রাখা হবে ট্রফিটি। কোকা‑কোলার বিশ্বকাপ ক্যাম্পেইনে অংশ নেওয়া নির্বাচিত ও ভাগ্যবান দর্শনার্থীরাই কেবল সামনে থেকে এই ট্রফি দেখার সুযোগ পাবেন।
আয়োজকদের তথ্যমতে, ১৫ নভেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আয়োজিত ‘আন্ডার দ্য ক্যাপ’ নামের ইন্টারঅ্যাকটিভ প্রোমো ক্যাম্পেইনের বিজয়ীরাই ট্রফি প্রদর্শনীতে প্রবেশ করতে পারবেন। ট্রফির সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ থাকলেও এর জন্য বৈধ টিকিটের প্রিন্ট বা ডিজিটাল কপি দেখানো বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি যাচাইয়ের জন্য কোকা‑কোলার ক্যাপ সঙ্গে রাখতে হবে।
নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার স্বার্থে দর্শনার্থীদের জন্য বেশ কিছু নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। কোনো অবস্থাতেই ট্রফি স্পর্শ করা যাবে না। ৭×১০ ইঞ্চির বেশি আকারের ব্যাকপ্যাক বহন নিষিদ্ধ। ভেন্যুতে ধূমপান সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে। টিকিট হস্তান্তর বা পুনর্ব্যবহার করা যাবে না এবং ধারালো বা নিষিদ্ধ কোনো সামগ্রী বহনের অনুমতি নেই। একই সঙ্গে কোনো দেশ বা ফুটবল দলের পতাকা আনার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।