শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে ওই আসনের নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন। আরপিও অনুযায়ী, বৈধ কোনো প্রার্থীর মৃত্যু হলে ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখার বিধান রয়েছে। মঙ্গলবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ১১ দলীয় জোটের এই প্রার্থী। পরবর্তীতে এই আসনের জন্য নতুন তফসিল ঘোষণা করবে ইসি। বিস্তারিত ডেস্ক রিপোর্টে।
নির্বাচনের আগ মুহূর্তে শোকের ছায়া শেরপুরের শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী এলাকায়। শেরপুর-৩ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও জেলা সেক্রেটারি মো. নুরুজ্জামান বাদল আর নেই। মঙ্গলবার রাতে ময়মনসিংহের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি।
তার মৃত্যুর কারণে নির্বাচন কমিশন বুধবার এই আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত ঘোষণা করেছে।
ইসি জানায়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ বা আরপিও ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৭ অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর এবং ভোটের আগে কোনো বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হলে নির্বাচন কার্যক্রম বাতিল বা স্থগিত করতে হয়। সেই আইন মেনেই এই সিদ্ধান্ত। পরবর্তীতে নতুন তফসিল ঘোষণা করা হবে।
“বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হলে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল বা স্থগিত করতে হবে।” – আরপিও ১৯৭২, অনুচ্ছেদ ১৭(১)।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নুরুজ্জামান বাদল দীর্ঘদিন ধরে কিডনি রোগে ভুগছিলেন। তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে দলটির শীর্ষ নেতারা। নির্বাচনী মাঠে একজন অভিজ্ঞ নেতাকে হারিয়ে হতাশ স্থানীয় ভোটাররাও।
নতুন তফসিল ঘোষণার পর শেরপুর-৩ আসনে আবার কবে ভোট হবে, সেদিকেই এখন সবার নজর।