ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধার পাঁচটি আসনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে অধিকাংশই নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মোট ৪০ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৮ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের এক অষ্টমাংশ (৮ ভাগের ১ ভাগ) ভোট না পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেই নিয়ম অনুসারেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। এ আসনে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন—
রমজান আলী (হাতপাখা), পরমানন্দ দাস (কাঁচি), কওছর আজম হান্নু (প্রজাপতি), ছালমা আক্তার (কলস) ও মোস্তফা মহসিন (ঢেঁকি)।
৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন—
আব্দুর রশীদ সরকার (লাঙ্গল), মোহাম্মদ আব্দুল মাজেদ (হাতপাখা), শাহেদুর জাহান (কলম), মিহির কুমার ঘোষ (কাস্তে) ও আহসানুল হাবীব সাঈদ (কাঁচি)।
১০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮ জন জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন—
মইনুর রাব্বী চৌধুরী (লাঙ্গল), সুরুজ মিয়া (ট্রাক), এটিএম আওলাদ হোসাইন (হাতপাখা), আব্দুল্লাহ আদিল (কাস্তে), মোছাদ্দিকুল ইসলাম (আপেল), মনজুরুল হক (কলম), এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি (ঘোড়া) ও আজিজার রহমান (ঢেঁকি)।
৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন—কাজী মো. মশিউর রহমান (লাঙ্গল), সৈয়দ তৌহিদুর রহমান তুহিন (হাতপাখা), আতোয়ারুল ইসলাম (কোদাল) ও আব্দুর রউফ আকন্দ (মোটরসাইকেল)।
৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬ জন জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন—শামীম হায়দার পাটোয়ারী (লাঙ্গল), আজিজুল ইসলাম (হাতপাখা), রাহেলা খাতুন (কাঁচি), শ্রী নিরমল (কাস্তে), মেহেদী হাসান বিদ্যুৎ (ঘোড়া) ও এইচ এম গোলাম শহীদ রনজু (মোটরসাইকেল)।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জানান, নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের এক অষ্টমাংশের কম ভোট পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই হিসাবেই গাইবান্ধা জেলার ২৮ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।