আরএনবি ডেস্কঃ রমজানের দ্বিতীয় সপ্তাহেও রাজধানীর বাজারে বেগুন, শসা ও খেজুরের দামে তেমন স্বস্তি ফেরেনি। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে খোলা আটা, ময়দা, পেঁয়াজ, ডিম ও মুরগির দাম কিছুটা কমেছে।শুক্রবার কাওরানবাজার ও শান্তিনগর বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।বিক্রেতা ও বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, রমজানে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের অতিরিক্ত চাহিদার কারণে দাম বাড়ছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরও স্বীকার করেছেন—রোজায় সবজি জাতীয় কিছু পণ্যের দাম বাড়তি। তার ভাষায়, “অনেকে একসঙ্গে পুরো মাসের বাজার করেন। বিক্রেতারাও পরিস্থিতির সুযোগ নেয়।”তিনি আশা প্রকাশ করেন, ধীরে ধীরে দাম কমে আসবে।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে বেগুন: ৮০–১২০ টাকা কেজি ,শসা: ৭০–১০০ টাকা কেজি,খিরা: ৬০–৭০ টাকা কেজি,লেবু (হালি): ৪০–৮০ টাকা (রমজানের শুরুতে ছিল ১০০–১৬০ টাকা),কাঁচামরিচ: ১০০–১৬০ টাকা (কেজিতে ১০ টাকা কমেছে),পেঁয়াজ: দেশি নতুন ৪০–৬০ টাকা (আগে ছিল ৫০–৬৫ টাকা),খোলা আটা: ৪০–৪৬ টাকা (কেজিতে ৪–৫ টাকা কমেছে),খোলা ময়দা: ৪৮–৬০ টাকা,ডিম (ডজন): ১১০–১১৫ টাকা,ব্রয়লার মুরগি: ১৮০–১৯০ টাকা (কেজিতে ১০ টাকা কমেছে)রমজানের শুরু থেকেই খেজুরের দাম তুলনামূলক বেশি। বর্তমানে সাধারণ মানের খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি দরে।
যদিও এনবিআর তথ্য বলছে—১ নভেম্বর–১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৪৯,৮০৭ টন খেজুর আমদানি হয়েছে । গত বছর একই সময়ে ছিল ৪৪,৭১৬ টন অর্থাৎ আমদানি বেড়েছে ১১.৪% সরকার দাম সহনীয় রাখতে আমদানি শুল্কও কমিয়েছে। তবু বাজারে দাম কমেনি।
কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী:লেবুর ভরা মৌসুম গ্রীষ্ম ও বর্ষাকাল; জানুয়ারি-মার্চ সময়ে গাছে ফুল কম আসে, ফলে সরবরাহও কম থাকে।
এক মাস পর বাজারে লেবুর সরবরাহ বাড়লে দাম কমে আসবে বলে জানিয়েছে বিভাগটি।