সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৩ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম চা শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ধেয়ে আসছে মৌসুমি নিম্নচাপ, বৃদ্ধি পাচ্ছে বাতাসের গতিবেগ এক যুবককে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন তিন বোন চিকিৎসার জন্য কোথায় যাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অক্টোবরে ভারতে খেলতে পারে ব্রাজিল, আলোচনায় বাংলাদেশও বিরামপুর সীমান্তে ৯ নারীকে ‘পুশ-ইন’ চেষ্টার অভিযোগ, প্রতিহত করল বিজিবি সেকেন্ড-হ্যান্ড স্মার্টফোন কেনার আগে যে ৭ বিষয় অবশ্যই যাচাই করবেন সান্তোসের ম্যাচ চলাকালে পোকার টুর্নামেন্টে নেইমার, নেটদুনিয়ায় বিতর্ক

ভুয়া চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় সাত বছরের শিশুর ৪ আঙুল কেটে ফেলতে হলো

  • সবশেষ আপডেট : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ৬১ জন সংবাদটি দেখেছেন

ঘোড়াঘাটে প্লাস্টারের পর হাত পচে যাওয়ার অভিযোগ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আবিদ

ঘোড়াঘাট উপজেলায় কথিত এক পল্লী চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় সাত বছরের এক শিশুর ডান হাতের চারটি আঙুল কেটে ফেলতে হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়রা জানান, পৌর শহরের আজাদমোড় ইসলামপুর এলাকার ‘শর্মী মেডিকেল স্টোর’-এ ওষুধ বিক্রির আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে হাড় জোড়া লাগানোর মতো জটিল চিকিৎসা করে আসছিলেন সোহেল রানা নামে এক ব্যক্তি, যার কোনো স্বীকৃত চিকিৎসা ডিগ্রি নেই বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী শিশুর নাম আবিদ (৭)। তার বাবা রাজ্জাক মিয়া একজন মিস্ত্রি। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঈদের কয়েকদিন পর অটোভ্যান থেকে পড়ে তার ডান হাত ভেঙে যায়। পরে স্থানীয় ওই দোকানে নেওয়া হলে সেখানে প্লাস্টার করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, অতিরিক্ত শক্ত করে প্লাস্টার বাঁধার কারণে হাত ফুলে গিয়ে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে ধীরে ধীরে হাতের আঙুলে পচন ধরতে শুরু করে। অবস্থার অবনতি হলে তাকে প্রথমে রংপুর এবং পরে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা সংক্রমণ রোধে ডান হাতের চারটি আঙুল অপসারণের সিদ্ধান্ত নেন।

বর্তমানে শিশুটি রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

অভিযুক্ত সোহেল রানা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্লাস্টারের কয়েকদিন পর শিশুটিকে অন্যত্র নেওয়া হয়েছিল। পরে আবার ফিরিয়ে আনা হলে হাতের অবস্থা গুরুতর ছিল এবং তিনি তাকে রংপুরে নেওয়ার পরামর্শ দেন।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, কোনো বৈধ ডিগ্রি ছাড়াই সোহেল রানা নিজেকে ‘ডাক্তার’ পরিচয়ে চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন।

মেহেদী হাসান বলেন, এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রি ছাড়া চিকিৎসা দেওয়া আইনগতভাবে অবৈধ। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আব্দুল আল মামুন কাওসার শেখ জানান, লাইসেন্স ছাড়া চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা দণ্ডনীয় অপরাধ। অভিযোগ তদন্ত করে শিগগিরই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com