সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৩ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম চা শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ধেয়ে আসছে মৌসুমি নিম্নচাপ, বৃদ্ধি পাচ্ছে বাতাসের গতিবেগ এক যুবককে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন তিন বোন চিকিৎসার জন্য কোথায় যাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অক্টোবরে ভারতে খেলতে পারে ব্রাজিল, আলোচনায় বাংলাদেশও বিরামপুর সীমান্তে ৯ নারীকে ‘পুশ-ইন’ চেষ্টার অভিযোগ, প্রতিহত করল বিজিবি সেকেন্ড-হ্যান্ড স্মার্টফোন কেনার আগে যে ৭ বিষয় অবশ্যই যাচাই করবেন সান্তোসের ম্যাচ চলাকালে পোকার টুর্নামেন্টে নেইমার, নেটদুনিয়ায় বিতর্ক

ডিপিএসের প্রলোভনে তালাকনামায় স্বাক্ষর, গাইবান্ধায় প্রতারণা চক্রের চাঞ্চল্য

  • সবশেষ আপডেট : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ৮৭ জন সংবাদটি দেখেছেন

বিয়ের তিনদিনেই প্রতারণার অভিযোগ, স্বামীসহ ৫ জন কারাগারে

সাদুল্লাপুর উপজেলায় ডিপিএস খোলার প্রলোভন দেখিয়ে স্ত্রীকে তালাকনামায় স্বাক্ষর করানোর অভিযোগে এক স্বামীসহ পাঁচজনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। তবে ঘটনার মূল অভিযুক্ত হিসেবে পরিচিত কথিত ‘ভুয়া কাজী’ এখনো পলাতক রয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম দামোদরপুর ইউনিয়নের চম্পা খাতুনের সঙ্গে নলডাঙ্গা ইউনিয়নের কুদ্দুস মিয়ার বিয়ে হয় ২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর। মাত্র তিন দিনের মাথায় স্বামী কুদ্দুস মিয়া তাকে ব্যাংকে ডিপিএস (সঞ্চয় স্কিম) খোলার কথা বলে কৌশলে তালাকনামায় স্বাক্ষর করান বলে অভিযোগ ওঠে।

ভুক্তভোগী চম্পা খাতুন বলেন, “ডিপিএসের কথা বলে আমাকে সই করানো হয়েছে, পরে জানতে পারি সেটি তালাকনামা ছিল। আমি কিছুই বুঝতে পারিনি।”

তিনি অভিযোগ করেন, এই প্রতারণায় তার স্বামী কুদ্দুস মিয়া ছাড়াও শ্বশুর এবং স্থানীয় কিছু ব্যক্তি জড়িত ছিলেন। পাশাপাশি ‘কাজী’ পরিচয়ে থাকা সাজ্জাদ হোসেন নামের একজন ব্যক্তি মূল পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার শুনানিতে হাজির হলে গাইবান্ধা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত পাঁচজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন স্বামী কুদ্দুস মিয়া, শ্বশুর ইসমাইল হোসেন, বৈধ কাজী আব্দুল হামিদ এবং আরও দুইজন।

তবে অভিযোগের মূল সহযোগী সাজ্জাদ হোসেন এখনো পলাতক। স্থানীয়দের দাবি, তিনি কোনো সরকারি অনুমোদন ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে বিয়ে ও তালাক রেজিস্ট্রির কাজ করে আসছিলেন।

জেলা রেজিস্ট্রার জহুরুল ইসলাম জানান, “লাইসেন্স ছাড়া কোনো ব্যক্তির বিয়ে বা তালাক রেজিস্ট্রি করার আইনগত সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ ঘটনায় এলাকায় চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা প্রতারণা চক্রের মূল হোতা সাজ্জাদ হোসেনসহ জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com