সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৯:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৩ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম চা শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ধেয়ে আসছে মৌসুমি নিম্নচাপ, বৃদ্ধি পাচ্ছে বাতাসের গতিবেগ এক যুবককে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন তিন বোন চিকিৎসার জন্য কোথায় যাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অক্টোবরে ভারতে খেলতে পারে ব্রাজিল, আলোচনায় বাংলাদেশও বিরামপুর সীমান্তে ৯ নারীকে ‘পুশ-ইন’ চেষ্টার অভিযোগ, প্রতিহত করল বিজিবি সেকেন্ড-হ্যান্ড স্মার্টফোন কেনার আগে যে ৭ বিষয় অবশ্যই যাচাই করবেন সান্তোসের ম্যাচ চলাকালে পোকার টুর্নামেন্টে নেইমার, নেটদুনিয়ায় বিতর্ক

দক্ষ জনশক্তি গড়ে ব্যাপক কর্মসংস্থানই সরকারের অগ্রাধিকার: শিল্পমন্ত্রী

  • সবশেষ আপডেট : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬
  • ৬৯ জন সংবাদটি দেখেছেন

দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

শনিবার সকালে ঠাকুরগাঁও বিসিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পনগরী পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, জনশক্তিকে দক্ষ করে উৎপাদনশীল কাজে যুক্ত করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। সেই লক্ষ্যেই ঠাকুরগাঁওয়ে বিশেষায়িত বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলা হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের বড় বাজার তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি জানান, নতুন উদ্যোক্তারা ইতোমধ্যে বিভিন্ন সৃজনশীল শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আগ্রহ দেখিয়েছেন। প্লট বরাদ্দ নিয়ে তারা এখানে নতুন শিল্পকারখানা স্থাপন করবেন, যা বেকারত্ব কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মন্ত্রী আরও জানান, প্রায় ৫০ একর জমির ওপর গড়ে ওঠা এই শিল্পনগরীতে মোট ২৫১টি প্লট রয়েছে। উদ্যোক্তারা প্রয়োজন অনুযায়ী এক বা একাধিক প্লট নিয়ে শিল্প স্থাপন করতে পারবেন। শিল্পপার্কটি পুরোপুরি চালু হলে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলে আশা করছে সরকার।

পরিদর্শনকালে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, বিসিক শিল্পনগরীর উদ্যোক্তা ও জেলা বিএনপির স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে দুপুরে পঞ্চগড় বিসিক শিল্পনগরী ও পঞ্চগড় সুগার মিল পরিদর্শন শেষে শিল্পমন্ত্রী বলেন, দেশের বন্ধ হয়ে যাওয়া সব মিল পুনরায় চালু করতে চায় সরকার।

তিনি বলেন, দেশে ১৫টি চিনিকলের মধ্যে বর্তমানে ৬টি বন্ধ রয়েছে। শুধু চিনিকল নয়, অন্যান্য সরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানও পুনরায় সচল করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, একটি শিল্পকারখানা শুধু অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের আবেগের সঙ্গেও জড়িত। মিল চালু থাকলে কর্মসংস্থান বাড়ে, রাজস্ব আয় হয় এবং সরকারি বিনিয়োগের সুফল জনগণ পায়।

মন্ত্রী জানান, মিল চালুর ক্ষেত্রে সরকার তিনটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এগুলো হলো আখচাষিদের স্বার্থ রক্ষা, শ্রমিক-কর্মচারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং মিলগুলোকে লাভজনকভাবে পরিচালনা করা।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় অনেক মিলের যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামো নষ্ট হয়ে গেছে। তাই সংস্কার ছাড়া সেগুলো চালু করা সম্ভব নয়। সব দিক বিবেচনা করে সম্ভাব্য বিকল্পগুলো পর্যালোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।

এ সময় পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব ওবায়দুর রহমান, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com