মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আদিতমারীতে বাকবিতণ্ডা থেকে সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে কিশোর নিহত ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার আবেদন খারিজ পীরগঞ্জে মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ গঠনে সেমিনার অনুষ্ঠিত রোগী হয়রানির অভিযোগে দালালকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালো ছাত্রদল ছয় দফা দাবিতে রংপুরে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি ও মানববন্ধন মিঠাপুকুরে বিষাক্ত অ্যালকোহল পানে ৫ মৃত্যুর ঘটনায় দুই আসামি গ্রেপ্তার নির্বাচিত হওয়ার একদিন পরই বিসিবির পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ মীর শাকরুল আলম সীমান্তের কর্ণফুলী নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার বাজেটের অর্থ অপচয়ের অধিকার কাউকে দেয়নি জনগণ: চরমোনাই পীর সৈয়দপুরে লাশ নিয়ে এলাকাবাসীর থানা ঘেরাও

অবিস্ফোরিত মার্কিন অস্ত্র ইরানের হাতে, নতুন উদ্বেগ সামরিক প্রযুক্তি নিয়ে

  • সবশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
  • ১৬ জন সংবাদটি দেখেছেন

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ইরান-এর হাতে পাওয়া অবিস্ফোরিত মার্কিন ও ইসরায়েলি অস্ত্র। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের প্রশ্ন, যুদ্ধক্ষেত্রে উদ্ধার হওয়া এসব অত্যাধুনিক অস্ত্রের প্রযুক্তি ব্যবহার করেই কি ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী প্রতিরক্ষা বা হামলা সক্ষমতা গড়ে তুলতে পারে তেহরান?

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসির দাবি, সম্প্রতি হরমোজগান প্রদেশ থেকে অন্তত ১৫টি ভারী মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। এসব অস্ত্র যুদ্ধের সময় ইরানের ভূখণ্ডে পড়লেও বিস্ফোরিত হয়নি বলে দাবি করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী ‘জিবিইউ-৫৭ বাংকার বাস্টার’ বোমা। প্রায় ১৩ হাজার কেজি ওজনের এই বোমা গভীর ভূগর্ভস্থ বাংকার বা সুরক্ষিত স্থাপনা ধ্বংসে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র, এজিএম-১৫৮ ক্ষেপণাস্ত্র এবং MQ-9 Reaper ড্রোনের অংশবিশেষও উদ্ধারের দাবি করেছে ইরান।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এখন এসব অস্ত্রের ‘রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং’ করার চেষ্টা করতে পারে। অর্থাৎ অস্ত্রগুলো খুলে এর নকশা, প্রযুক্তি ও কার্যপ্রণালি বিশ্লেষণ করে নিজেদের প্রযুক্তি উন্নয়নের চেষ্টা চালানো হতে পারে।

এ ধরনের অভিজ্ঞতা ইরানের আগে থেকেই রয়েছে। ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্র-এর অত্যাধুনিক Lockheed Martin RQ-170 Sentinel গোয়েন্দা ড্রোন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনার দাবি করেছিল তেহরান। পরে সেই প্রযুক্তির আদলে দেশটি নিজস্ব ড্রোন কর্মসূচি এগিয়ে নেয়। বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে বিভিন্ন সংঘাতে ব্যবহৃত Shahed drone সিরিজের ড্রোন তৈরিতে সেই অভিজ্ঞতার প্রভাব রয়েছে।

এছাড়া অতীতে মার্কিন ‘হক’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি অনুসরণ করেও নিজেদের সংস্করণ তৈরির দাবি করেছিল ইরান।

বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, যদি ইরান এসব নতুন অস্ত্রের প্রযুক্তিগত কাঠামো সফলভাবে বিশ্লেষণ করতে পারে, তাহলে ভবিষ্যতে মার্কিন প্রযুক্তিনির্ভর হামলা প্রতিরোধে তারা আরও কার্যকর সক্ষমতা অর্জন করতে পারে। একই সঙ্গে এই প্রযুক্তিগত তথ্য রাশিয়া বা চীন-এর মতো দেশের সঙ্গে ভাগাভাগি করা হলে বৈশ্বিক সামরিক ভারসাম্যেও প্রভাব পড়তে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশ্লেষকদের মতে, এমন পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্র-কে ভবিষ্যতে যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত অস্ত্রের প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে বাধ্য করতে পারে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© All rights reserved © 2025 rnbnews24
Theme Download From ThemesBazar.Com