সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৩ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম চা শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ধেয়ে আসছে মৌসুমি নিম্নচাপ, বৃদ্ধি পাচ্ছে বাতাসের গতিবেগ এক যুবককে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন তিন বোন চিকিৎসার জন্য কোথায় যাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অক্টোবরে ভারতে খেলতে পারে ব্রাজিল, আলোচনায় বাংলাদেশও বিরামপুর সীমান্তে ৯ নারীকে ‘পুশ-ইন’ চেষ্টার অভিযোগ, প্রতিহত করল বিজিবি সেকেন্ড-হ্যান্ড স্মার্টফোন কেনার আগে যে ৭ বিষয় অবশ্যই যাচাই করবেন সান্তোসের ম্যাচ চলাকালে পোকার টুর্নামেন্টে নেইমার, নেটদুনিয়ায় বিতর্ক

ঘূর্ণিঝড়ের মতো তাণ্ডবে বিধ্বস্ত আশ্রয়ণ প্রকল্প, খোলা আকাশের নিচে ৭ পরিবার

  • সবশেষ আপডেট : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬
  • ৫৮ জন সংবাদটি দেখেছেন

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ঘূর্ণিঝড়ের মতো তীব্র বাতাস ও রাতভর ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের কয়েকটি ঘর। মুহূর্তের ঝাপটায় উড়ে গেছে টিনের চাল। এক রাতেই মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয় হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন সাতটি পরিবার।

রোববার (১৭ মে) রাত ১টার দিকে আকস্মিক ঝড়ে উপজেলার নয়ারহাট ইউনিয়নের আশ্রয়ণ প্রকল্পের কয়েকটি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঝড়ে ঘরের টিনের চাল উড়ে যায় এবং ভেতরের আসবাবপত্রও তছনছ হয়ে পড়ে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো হলো দুলালী বেগম (৩০), আজগর আলী (৬৫), গোবিন্দ লাল (৪০), ইনসাব আলী (৬০), সরু মিয়া (৩৮), ময়ান আলী (৪৫) ও মো. তালেব মিয়া (৪৭)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কারও ঘরের টিন পাশের জমিতে গিয়ে পড়েছে, কোথাও আবার বাঁশের খুঁটি ভেঙে গেছে। বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হয়েছে কাপড়-চোপড়, বিছানাপত্র ও খাদ্যসামগ্রী। শিশু ও বৃদ্ধ সদস্যদের নিয়ে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন পরিবারগুলো। অনেকে এখন প্রতিবেশীর বারান্দা কিংবা খোলা জায়গায় অস্থায়ীভাবে আশ্রয় নিয়েছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত দুলালী বেগম বলেন, “ঝড়ের শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই চাল উড়ে যায়। এখন ছোট ছেলেমেয়েদের নিয়ে কোথায় থাকবো বুঝতে পারছি না।”

আজগর আলী বলেন, “আমরা গরিব মানুষ। কোনোমতে দিন চলে। ঘর মেরামতের টাকা নেই। সরকারি সাহায্য না পেলে পরিবার নিয়ে খোলা আকাশের নিচেই থাকতে হবে।”

গোবিন্দ লাল জানান, ঝড়ের সময় শিশুদের নিরাপদে সরিয়ে নিতেই সবচেয়ে বেশি ভয় পেয়েছেন তিনি। এখন খাবার, ঘুম ও নিরাপদ আশ্রয় সবকিছু নিয়েই দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো দুর্বল নির্মাণের হওয়ায় সামান্য দুর্যোগেই বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়। তারা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও ঘর মেরামতের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সানোয়ার হোসেন বলেন, ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, “ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তালিকা প্রস্তুত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।”

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com