মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আদিতমারীতে বাকবিতণ্ডা থেকে সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে কিশোর নিহত ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার আবেদন খারিজ পীরগঞ্জে মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ গঠনে সেমিনার অনুষ্ঠিত রোগী হয়রানির অভিযোগে দালালকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালো ছাত্রদল ছয় দফা দাবিতে রংপুরে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি ও মানববন্ধন মিঠাপুকুরে বিষাক্ত অ্যালকোহল পানে ৫ মৃত্যুর ঘটনায় দুই আসামি গ্রেপ্তার নির্বাচিত হওয়ার একদিন পরই বিসিবির পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ মীর শাকরুল আলম সীমান্তের কর্ণফুলী নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার বাজেটের অর্থ অপচয়ের অধিকার কাউকে দেয়নি জনগণ: চরমোনাই পীর সৈয়দপুরে লাশ নিয়ে এলাকাবাসীর থানা ঘেরাও

তনু হত্যাকাণ্ডে নতুন তথ্য, পোশাকে মিলেছে চারজনের নমুনা

  • সবশেষ আপডেট : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬
  • ১৩ জন সংবাদটি দেখেছেন

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। ঘটনার পর তনুর পোশাক থেকে সংগ্রহ করা নমুনায় তিনজন পুরুষের শুক্রাণুর পাশাপাশি আরও একজনের রক্তের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। ফলে ডিএনএ পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত চারজনের নমুনা শনাক্ত হওয়ার তথ্য প্রকাশ্যে এলো।

রোববার রাতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কয়েক মাস আগে সিআইডির কাছে তনুর পোশাক থেকে পাওয়া নমুনার বিষয়ে জানতে চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। প্রায় এক মাস আগে সিআইডি থেকে জানানো হয়, তিনজন পুরুষের শুক্রাণুর পাশাপাশি আরও একজনের রক্তের নমুনা পাওয়া গেছে।

তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, “এ নিয়ে সন্দেহভাজনের সংখ্যা চারজনে দাঁড়াল। তবে এটি পুরোপুরি নতুন তথ্য নয়। ২০১৭ সালে তিনজনের তথ্য সামনে এলেও এখন আরেকজনের তথ্য পাওয়া গেছে।”

২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকার পাওয়ার হাউসসংলগ্ন একটি জঙ্গলে তনুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার পর প্রথমে থানা পুলিশ, পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দীর্ঘ সময় তদন্ত করলেও হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি।

পরবর্তীতে ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে মামলার তদন্তভার সিআইডি থেকে পিবিআই সদর দপ্তরে হস্তান্তর করা হয়।

প্রায় চার বছর মামলাটি তদন্ত করেন পিবিআই সদর দপ্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. মজিবুর রহমান। সর্বশেষ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে মামলার ষষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পান পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© All rights reserved © 2025 rnbnews24
Theme Download From ThemesBazar.Com