ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, চলমান আলোচনায় ইরান সঠিক জবাব না দিলে যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।
বুধবার (২০ মে) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “আমরা ইরান ইস্যুতে চূড়ান্ত পর্যায়ে আছি।” তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কোনো সমঝোতা না হলে তেহরানের জন্য কঠিন পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, কোনো চুক্তি স্বাক্ষরের আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না এবং তেল রপ্তানিতেও কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
তার ভাষায়, “ইরানের কাছ থেকে সঠিক উত্তর না পেলে পরিস্থিতি খুব দ্রুত বদলে যাবে।”
তবে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সফল হলে যুদ্ধ এড়ানো সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, রক্তপাত ঠেকাতে প্রয়োজনে কিছু সিদ্ধান্ত সাময়িকভাবে পিছিয়ে দিতেও প্রস্তুত তিনি।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পাকিস্তানের -এর মধ্যস্থতায় পাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া তেহরান পর্যালোচনা করছে। একই সঙ্গে Oman-সহ আঞ্চলিক দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহযোগিতায় হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচলের নতুন ব্যবস্থাও তৈরি করা হচ্ছে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, চাপের মুখে তেহরান আত্মসমর্পণ করবে না। তার মতে, ইরান সবসময় প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে এবং যুদ্ধ এড়াতে সব ধরনের পথ অনুসরণ করেছে।
তিনি আরও বলেন, “চাপ প্রয়োগ করে ইরানকে নতি স্বীকার করানো যাবে— এমন ধারণা কেবলই ভ্রম।” একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে কূটনৈতিক সমাধানই যুদ্ধের চেয়ে বেশি নিরাপদ ও টেকসই পথ।
অন্যদিকে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে কে ঘিরে নতুন করে যুদ্ধের প্রস্তুতির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।