রংপুর নগরীর মডার্ন এলাকার তুলা গবেষণা কেন্দ্র সংলগ্ন স্থানে নাইটকোচের চাপায় স্থানীয় এক মসজিদের ইমাম নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম আবুল কাশেম। রোববার সকালে এ দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী লাশ সড়কে রেখে রংপুর-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। অবরোধ চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিবহনের একটি দোতলা বাস আটকে ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে।
প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভের পর উত্তেজিত জনতা ঘাতক নাইটকোচটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। মুহূর্তেই বাসটি পুড়ে যায়। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, “নাইটকোচটি পথচারী আবুল কাশেমকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা বাসটিতে আগুন দেয়। বর্তমানে বাসটি পোড়া অবস্থায় পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।”
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। তবে তিনি বাসটির চালক নাকি হেলপার, তা নিশ্চিত হতে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।