মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আদিতমারীতে বাকবিতণ্ডা থেকে সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে কিশোর নিহত ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার আবেদন খারিজ পীরগঞ্জে মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ গঠনে সেমিনার অনুষ্ঠিত রোগী হয়রানির অভিযোগে দালালকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালো ছাত্রদল ছয় দফা দাবিতে রংপুরে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি ও মানববন্ধন মিঠাপুকুরে বিষাক্ত অ্যালকোহল পানে ৫ মৃত্যুর ঘটনায় দুই আসামি গ্রেপ্তার নির্বাচিত হওয়ার একদিন পরই বিসিবির পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ মীর শাকরুল আলম সীমান্তের কর্ণফুলী নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার বাজেটের অর্থ অপচয়ের অধিকার কাউকে দেয়নি জনগণ: চরমোনাই পীর সৈয়দপুরে লাশ নিয়ে এলাকাবাসীর থানা ঘেরাও

খামেনিকে হত্যার ‘নেপথ্যে সৌদি আরব’

  • সবশেষ আপডেট : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬
  • ৬২ জন সংবাদটি দেখেছেন

আরএনবি ডেস্কঃ

ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশটির বহু শহরে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে থেকে আকস্মিক মুহুমুহু হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। দেশ দুইটির যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন। সেইসঙ্গে ইরানের শীর্ষ আরও অনেক নেতা ও কমান্ডার নিহত হয়েছেন। এমন পরিস্থিতির মধ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ করেছে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট এবং বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে হামলা শুরুর নেপথ্যে রয়েছে ইসরায়েল ও সৌদি আরব। দেশ দুইটির চাপেই ইরানে হামলা শুরু হয়েছে বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে। রয়টার্স বলছে, ইরানে হামলা না করার জন্য সৌদি যুবরাজ প্রকাশ্যে কূটনীতিকে সমর্থন দিতেন এবং বলতেন, তেহরানে হামলা চালানোর জন্য সৌদির ভূখণ্ড ব্যবহার করা যাবে না।  ট্রাম্পের সঙ্গে যুবরাজের সম্পর্ক অনেক কাছেরকিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার সময় ইরানে হামলা নিয়ে ভিন্ন কথা বলতেন সৌদি যুবরাজ। তিনি ট্রাম্পকে সতর্ক করতেন, ইরানে হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্র পদক্ষেপ না নিলে পরিণতি খারাপ হবে।

দুইটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ইরানে হামলা শুরুর কিছুক্ষণ আগে খামেনি নিরাপদ একটি স্থানে তার দুই সিনিয়র উপদেষ্টা আলি লারিজানি এবং আলি শামখানির সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। এরপরেই সেখানে অতর্কিত হামলা চালায় ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে ওয়াশিংটিন পোস্ট, তেহরানে হামলা ইস্যুতে সৌদি ও ইসরায়েলের একই অবস্থানের জন্য তাদেরকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের অস্বাভাবিক মার্কিন মিত্র জুটি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

রিপোর্টে বলেছে, দেশ দুইটির এই যৌথ প্রচেষ্টা ট্রাম্পকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনিকে ক্ষমতা থেকে উৎখাতের জন্য অভিযান চালাতে উদ্বুদ্ধ করেছে।

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ইসরায়েল-সৌদির চাপেই ট্রাম্প ইরানে হামলা শুরু করেছে। ইরানে হামলা শুরুর করার জন্য ট্রাম্পের সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছেন সৌদি যুবরাজ। অথচ প্রকাশ্যে তিনি ভিন্ন কথা বলতেন।

যুবরাজ সালমান ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে বলেছিলেন, তেহরানে হামলার জন্য সৌদি আরব তার আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না।

অন্যদিকে মার্কিন কর্মকর্তাদের যুবরাজ বলতেন, মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটন যদি তাদের উল্লেখযোগ্য সামরিক শক্তি ব্যবহার না করে, তাহলে ইরান আরও শক্তিশালী এবং বিপজ্জনক হয়ে উঠবে।

গত জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় যুবরাজের ভাই খালিদ বিন সালমানও মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রাইভেট বৈঠকে একই বার্তা দিয়েছিলেন। যুবরাজ সালমানের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা জানিয়েছেন যে তিনি তেহরানকে রিয়াদের প্রধান আঞ্চলিক প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখেন।

সর্বশেষ, ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে ইরানে সরকার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত হামলা অব্যাহত থাকবে।

র্সোস- ইত্তেফাক

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© All rights reserved © 2025 rnbnews24
Theme Download From ThemesBazar.Com