গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের এক সদস্য। পরে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে সামাজিকভাবে তাদের বিয়ে সম্পন্ন করে ঘটনাটি মীমাংসা করা হয়।
ঘটনাটি বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) গভীর রাতে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের ধুমাইটারী গ্রামে ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা চলছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মালয়েশিয়া প্রবাসী এক ব্যক্তির স্ত্রীর ঘরে প্রবেশ করেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কনস্টেবল ইমরুল কায়েস। ওই সময় স্থানীয়দের নজরে এলে তারা বাড়িটি ঘিরে ফেলেন এবং ইমরুল কায়েসকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেন।
খবর পেয়ে এলাকাবাসী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে উভয় পক্ষের সম্মতিতে শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সকালে সামাজিকভাবে বিয়ে সম্পন্ন করা হয়।
ইমরুল কায়েসের বাড়ি গাইবান্ধা সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের বালাহাটা গ্রামে।
প্রবাসীর স্ত্রী বলেন, “ইমরুলের সঙ্গে আমার মুঠোফোনে কিছুদিন ধরে যোগাযোগ ছিল। সেদিন রাতে দেখা করতে এলে গ্রামবাসী টের পান।”
তিনি আরও জানান, বাইরে হইচই শুনে ইমরুল ঘরের আলমারির ভেতরে লুকিয়ে পড়েন।
ইমরুল কায়েস বলেন, “অনলাইনে দুই–তিন মাস ধরে কথা হচ্ছিল। সেদিন দেখা করতে গিয়েছিলাম, এরপরই এ ঘটনা ঘটে।”
স্থানীয় লিয়াকত আলী নামের একজন বলেন, “বদ্ধঘর থেকে দুজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে স্থানীয়দের সম্মতিতে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়।”
সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাকিম আজাদ বলেন, “ঘটনাটি সম্পর্কে শুনেছি। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।”