বিপিসির একটি সূত্র জানায়, বছরে ৭০ লাখ টনের মতো জ্বালানি তেল আমদানি করে সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে অর্ধেক তেল কেনা হয় দরপত্রের মাধ্যমে। বাকি অর্ধেক জিটুজি পদ্ধতিতে সমঝোতা করে কেনা হয়। জ্বালানি তেল সরবরাহ দেওয়ার জন্য ১০ দেশের সঙ্গে জ্বালানি বিভাগ এবং বিপিসির চুক্তি আছে। তার আওতায় ওইসব দেশের সরকারি-বেসরকারি কম্পানি বছরের জানুয়ারি-জুন এবং জুলাই-ডিসেম্বর দুই ভাগে তেল সরবরাহ করে।
জ্বালানি সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, জিটুজি ভিত্তিতে তেল কেনার প্রক্রিয়ায় তেলের দাম নিয়ে কোনো সমঝোতা হবে না। প্ল্যার্টসের দামের ফর্মুলা অনুযায়ী বিপিসি ওই তেলের দাম পরিশোধ করবে। জ্বালানিমন্ত্রীর নেতৃত্বে সমঝোতা হবে প্রিমিয়াম বা জাহাজ ও ইন্স্যুরেন্সসহ অন্যান্য খরচের হিসাব নিয়ে। আগামী জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৫ লাখ টনের পরিশোধিত তেল দরপত্রের মাধ্যমে কেনার প্রক্রিয়া অনেকটা সম্পন্ন করেছে বিপিসি।
এদিকে বিশ্ববাজারে তেলের দামে স্বস্তি ফিরছে। মার্চ-এপ্রিলে যুদ্ধকালীন ৩০ হাজার টনের পরিশোধিত তেল কিনতে সরকারকে দিতে হয়েছিল ৫ কোটি ডলার। এখন সেটি সাড়ে তিন কোটি ডলারে নেমে এসেছে। সবশেষ প্ল্যার্টস ফর্মুলা অনুযায়ী বিপিসি এখন ডিজেল কিনছে প্রতি লিটার ১৬৩ টাকায়। এর মধ্যে এনবিআরের আমদানি শুল্ক আছে ৩৬ টাকা।
দেশে ১৪ জুন পর্যন্ত অকটেন ৫১ হাজার ৭৮ টন, পেট্রোল ২৮ হাজার ৮৩২ টন, জেট ফুয়েল ৫২ হাজার ৯০৪ টন, ডিজেল ৪ লাখ ৮৯ হাজার ৫৩৭ টন এবং ফার্নেস অয়েল আছে ৯৪ হাজার ৮৫৮ টন। এই তেল দিয়ে ৩২ দিনের বেশি চাহিদা মেটানো যাবে।