সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৩ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম চা শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ধেয়ে আসছে মৌসুমি নিম্নচাপ, বৃদ্ধি পাচ্ছে বাতাসের গতিবেগ এক যুবককে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন তিন বোন চিকিৎসার জন্য কোথায় যাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অক্টোবরে ভারতে খেলতে পারে ব্রাজিল, আলোচনায় বাংলাদেশও বিরামপুর সীমান্তে ৯ নারীকে ‘পুশ-ইন’ চেষ্টার অভিযোগ, প্রতিহত করল বিজিবি সেকেন্ড-হ্যান্ড স্মার্টফোন কেনার আগে যে ৭ বিষয় অবশ্যই যাচাই করবেন সান্তোসের ম্যাচ চলাকালে পোকার টুর্নামেন্টে নেইমার, নেটদুনিয়ায় বিতর্ক

কুড়িগ্রামে ৯ ফুট অজগর উদ্ধার, বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর

  • সবশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১২৭ জন সংবাদটি দেখেছেন

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার কামাত আঙ্গারীয়া (ভাসানীপাড়া) গ্রাম থেকে প্রায় ৯ ফুট দৈর্ঘ্যের বিশাল অজগর সাপ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে ভূরুঙ্গামারী সার্কেল এএসপি মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে এই উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হয়। উদ্ধারকাজে স্থানীয় সাপুড়ে মোজাহার সহযোগিতা করেন।

ধান কাটতে গিয়ে চোখে পড়ে বিশাল সাপ

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল থেকে কৃষকরা জমিতে ধান কাটছিলেন। এ সময় হঠাৎ তারা অস্বাভাবিক বড় আকৃতির অজগর সাপটি দেখতে পান। মুহূর্তের মধ্যেই খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে এএসপি মুনতাসির মামুন মুন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। উৎসুক জনতার ভিড় বাড়তে থাকায় সাপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ এলাকাজুড়ে সুরক্ষাবেষ্টনী তৈরি করে, যাতে কেউ সাপটির ক্ষতি করতে না পারে।

ভারতীয় দিক থেকে ভেসে আসার ধারণা

গ্রামবাসীর ধারণা, গত অক্টোবরে বন্যার সময় ভারতীয় এলাকা থেকে পানির স্রোতের সাথে অজগরটি ভেসে আসতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তবর্তী এলাকায় বন্যপ্রাণী দেখা যাওয়ার পরিমাণ বেড়েছে বলেও জানান তারা।

বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর

ভূরুঙ্গামারী-কচাকাটা সার্কেলের এএসপি মুনতাসির মামুন মুন বলেন—

“খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে নিরাপদে সাপটি উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে অজগরটি কুড়িগ্রাম বন বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।”

কুড়িগ্রাম বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সাদিকুর রহমান জানান—“অজগরটি স্থানীয় এক সাপুড়ে ধরে রেখেছিলেন। আমরা সেটি গ্রহণ করে রংপুর বিভাগীয় বন দপ্তরে পাঠিয়েছি।” বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই প্রজাতির অজগর পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং ইকো–ব্যালেন্স রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com