মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আদিতমারীতে বাকবিতণ্ডা থেকে সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে কিশোর নিহত ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার আবেদন খারিজ পীরগঞ্জে মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ গঠনে সেমিনার অনুষ্ঠিত রোগী হয়রানির অভিযোগে দালালকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালো ছাত্রদল ছয় দফা দাবিতে রংপুরে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি ও মানববন্ধন মিঠাপুকুরে বিষাক্ত অ্যালকোহল পানে ৫ মৃত্যুর ঘটনায় দুই আসামি গ্রেপ্তার নির্বাচিত হওয়ার একদিন পরই বিসিবির পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ মীর শাকরুল আলম সীমান্তের কর্ণফুলী নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার বাজেটের অর্থ অপচয়ের অধিকার কাউকে দেয়নি জনগণ: চরমোনাই পীর সৈয়দপুরে লাশ নিয়ে এলাকাবাসীর থানা ঘেরাও

ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভাঙচুরের অভিযোগ

  • সবশেষ আপডেট : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৭৯ জন সংবাদটি দেখেছেন

আরএনবি ডেস্কঃ

পটুয়াখালীর মহিপুরে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে ।গত রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার মহিপুরের কেয়ার মডেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। এতে রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাময়িকভাবে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়।হাসপাতাল সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিয়ামের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল হাসপাতালে প্রবেশ করে। তারা বিভিন্ন কক্ষের গ্লাস, আসবাবপত্র ও অন্যান্য সরঞ্জাম ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ রয়েছে। আকস্মিক এ ঘটনায় রোগী, স্বজন ও কর্মচারীদের মধ্যে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। পরে ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

আহত সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক কামরুল ইসলাম শাওন অভিযোগ করেন, দুই হাজার টাকা পাওনা নিয়ে বিরোধের জেরে সিয়াম মাহমুদ আকরাম, মো. বাপ্পী, ইসমাইল, রিফাত পারভেজ, আব্দুল্লাহ, সৌরভ, ইমরান, আরিফ ও জয়ানালসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। আত্মরক্ষার জন্য তিনি পাশের হাসপাতালে আশ্রয় নিলে সেখানে আবারও হামলার শিকার হন। এ সময় হাসপাতালে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে তিনি দাবি করেন।

অভিযুক্ত সিয়াম দাবি করেন, নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থেকেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তার বক্তব্য, কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রবিউল ও কামরুল তাদের কয়েকজনকে মারধর করলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে হাসপাতালে গিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

কেয়ার মডেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুজ্জামান বলেন, হঠাৎ একদল যুবক হাসপাতালে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। এতে রোগী ও কর্মীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের ভেতরে এমন ঘটনা অনভিপ্রেত। তিনি সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচার দাবি করেন।মহিপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ বলেন, দলে সন্ত্রাসীদের কোনও জায়গা নেই। হাসপাতালে ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মহিপুর থানা পুলিশের ওসি মহব্বত খান জানান, এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

সূত্র: রূপালী বাংলাদেশ

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© All rights reserved © 2025 rnbnews24
Theme Download From ThemesBazar.Com