ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন। তবে নির্বাচনে জনগণের রায়ই চূড়ান্ত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফয়সল আমীন বলেন, ভোট দেওয়ার পরপরই নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে মন্তব্য করা সমীচীন হবে না। তবে তিনি আশা করছেন, উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ হবে এবং ভোটাররা শান্তিপূর্ণভাবে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
আবহাওয়া কিছুটা খারাপ হলেও ভোটার উপস্থিতি ভালো হবে বলে আশা প্রকাশ করেন বিএনপির এই প্রার্থী। জয়ের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, জনগণের মতামতই চূড়ান্ত। জনগণ যে রায় দেবেন, তা প্রত্যাখ্যান করার দুঃসাহস তাঁর নেই।
বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। আসনটিতে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য ১৮৫টি কেন্দ্রে ৯৮৯টি ভোটকক্ষ স্থাপন করা হয়েছে।
এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ১১৩টি, রুহিয়া উপজেলায় ৩৩টি এবং ভুল্লী উপজেলায় ৩৯টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে।
এ নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হলেন বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন (ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. দেলাওয়ার হোসেন (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী (বটগাছ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ ডা. মো. খাদেমুল ইসলাম (হাতপাখা) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক (ডাব)।