রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৮:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশি ব্রাজিল ভক্তদের ভিডিওতে লাইক দিলেন নেইমার! হঠাৎই আংটিবদল, বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন গায়ক শেখ সাদী তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি দিয়ে বয়ে যাচ্ছে গাইবান্ধায় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল্লাহ নিহতের অভিযোগ, বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায় পরনারীর সঙ্গে ছবি তুলে উসকানিমূলক পোস্ট করতেন আলভী: ডিবি ছাত্রশক্তিকে শিবিরশক্তিতে রূপান্তরের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু: আব্দুল কাদের এনসিপির ৬ এমপি একসময় শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন: আব্দুল্লাহ হিল বাকী অস্ট্রেলিয়ার কাছে ‘অসহায় আত্মসমর্পণ’, হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষের পাশে রাশেদ খাঁনকে রাখার দাবি এমপি হানজালার ‘ভারত-বাংলাদেশ জুড়ে ছিল জিয়াউলের কিলিং নেটওয়ার্ক’

‘ভারত-বাংলাদেশ জুড়ে ছিল জিয়াউলের কিলিং নেটওয়ার্ক’

  • সবশেষ আপডেট : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬
  • ৪ জন সংবাদটি দেখেছেন

সেনাবাহিনী থেকে অব্যাহতি পাওয়া মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের কিলিং নেটওয়ার্ক ভারত-বাংলাদেশ জুড়ে ছিল বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

রোববার (২১ জুন) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আওয়ামী লীগের শাসনামলে শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জিয়াউলের বিরুদ্ধে আজ গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিয়েছেন একজন সেনা কর্মকর্তা। তার জবানবন্দি এখনও চলমান রয়েছে। তিনি ট্রাইব্যুনালের সামনে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর বর্ণনা তুলে ধরেছেন।’

এর মধ্যে একটি ছিল জিয়াউলের জাফলং অপারেশন’— উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অর্থাৎ র‌্যাবের টিএফআই সেল থেকে দুজন আসামিকে নিয়ে জিয়াউলের নেতৃত্বে জাফলংয়ে গিয়েছিলেন সাক্ষীসহ আরও কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা। জাফলংয়ে যাওয়ার পর আরও দুজন আসামিকে নিয়ে আসেন ভারত থেকে আসা সাদা পোশাকের কিছু লোকজন। এরপর এসব আসামিকে বিনিময়ের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়।’

সাক্ষীর বিবরণ দিয়ে আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ভারত থেকে আনা দুজনকে রাস্তায় মাথায় গুলি চালিয়ে হত্যা করেন জিয়াউল আহসান। এভাবেই তিনি হত্যাকাণ্ড চালিয়েছেন। ভারতের লোকজনকে জিয়াউল আহসানের অনুসারীরাই হয়তো নিয়ে আসতেন। তারা কোনো দলের বা কোনো বাহিনীর হতে পারে।’

অর্থাৎ জিয়াউলের এই কিলিং নেটওয়ার্ক ভারত-বাংলাদেশজুড়ে ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তবে ভারত থেকে সাদা পোশাকে আসা লোকজন যে দুজন ব্যক্তিকে হস্তান্তর করেছিলেন, তারা কি ভারতের নাকি বাংলাদেশের নাগরিক তা যাচাই-বাছাই করা সম্ভব হয়নি।’

‘বিডিআরের বিভিন্ন সদস্যকে ধরে এনে দুটো পদ্ধতিতে হত্যা করেছেন জিয়াউল আহসান’—উল্লেখ করে চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, ‘এর মধ্যে কাউকে ইনজেকশন পুশ করে, আবার কাউকে মাথায় গুলি ঠেকিয়ে হত্যার পর নদীতে ফেলে দিতেন। এই দুই প্রক্রিয়ায় প্রায় ১০ থেকে ১২ জন বিডিআর সদস্যকে তিনি হত্যা করেছেন বলে জানিয়েছেন সাক্ষী।’

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© All rights reserved © 2025 rnbnews24
Theme Download From ThemesBazar.Com