গাইবান্ধায় দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে সৈকত (৩০) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) গভীর রাতে গাইবান্ধা-সাঘাটা সড়কের ত্রিমোহিনী এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে বুধবার দুপুরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহত সৈকত গাইবান্ধা শহরের মাস্টার পাড়ার বাসিন্দা আলি আহমেদের ছেলে। নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করেন, বেশ কিছুদিন ধরে এলাকার কয়েকজনের সঙ্গে সৈকতের শত্রুতা চলছিল। মঙ্গলবার রাতেও শহর থেকে তাকে ডেকে নিয়ে যায় ওই ব্যক্তিরা। পরে ত্রিমোহিনী এলাকায় নিয়ে ধারালো ছুরি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক সৈকতকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানায়, সৈকত মাদক সেবন ও কারবারের অভিযোগে একাধিকবার গ্রেফতার হয়েছিলেন। সম্প্রতি জেল থেকে বের হওয়ার পর স্থানীয় কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীর সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে—এই বিরোধের জেরেই তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।
গাইবান্ধা সদর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) রবিউল আলম বলেন—“মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। অপরাধীদের চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”