র্যাব–১৩ এর পৃথক অভিযানে লালমনিরহাট, গাইবান্ধা ও নীলফামারীতে ৯৮ বোতল ফেয়ারডিল, ৭ বোতল এস্কাফ সিরাপ ও ২০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দসহ পাঁচজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
‘বাংলাদেশ আমার অহংকার’—এ মূলমন্ত্র ধারণ করে র্যাব নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছে। তারই অংশ হিসেবে সোমবার (২৭ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত র্যাব–১৩ তিনটি পৃথক স্থানে অভিযান চালায়।
দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে র্যাব–১৩ এর সদর কোম্পানির একটি দল হাতিবান্ধা উপজেলার ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের উত্তর জাওরানী বড়দলপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। নারায়ন চন্দ্র দাসের বাড়িতে তল্লাশিকালে দুই ব্যক্তির পরিহিত জ্যাকেট থেকে ৭ বোতল এস্কাফ সিরাপ জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন— আপন চন্দ্র রায় (২৬) পিতা-প্রফুল্ল বর্মন এবং নারায়ন চন্দ্র দাস (৪২) পিতা-মৃত শুরিন চন্দ্র দাস, সাং-উল্টর জাওরানী, ইউপি-ভেলাগুড়ি ০৮নং ওয়ার্ড, থানা-হাতিবান্ধা, জেলা-লালমনিরহাট।
একই দিন দুপুর ২টা ১০ মিনিটে পলাশবাড়ী পৌর এলাকার রংপুর–ঢাকা মহাসড়কের নতুন ভবনের সামনে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশিতে দুটি মোটরসাইকেলে বিশেষভাবে লুকানো ৯৮ বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ জব্দ করা হয়। এ অভিযানে গ্রেপ্তার হন— মো. দুলু মিয়া (৩৬) পিতা- মোঃ জাফর আলী, মো. নুরুজ্জামান (৩৩) পিতা- মোঃ নুর ইসলাম।
রাত ১০টা ৩০ মিনিটে সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের ধলাগাছ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়— মো. মোকছেদুল ইসলাম পারভেজ (৪৯) পিতা- মোঃ নজরুল ইসলাম।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা বিভিন্ন এলাকার অজ্ঞাত ব্যক্তির কাছ থেকে মাদক ক্রয় করে সরবরাহ করে আসছিলেন। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
র্যাব–১৩ আরও জানায়, মাদকবিরোধী জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে গোয়েন্দা নজরদারি এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে।