সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৯:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৩ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম চা শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ধেয়ে আসছে মৌসুমি নিম্নচাপ, বৃদ্ধি পাচ্ছে বাতাসের গতিবেগ এক যুবককে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন তিন বোন চিকিৎসার জন্য কোথায় যাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অক্টোবরে ভারতে খেলতে পারে ব্রাজিল, আলোচনায় বাংলাদেশও বিরামপুর সীমান্তে ৯ নারীকে ‘পুশ-ইন’ চেষ্টার অভিযোগ, প্রতিহত করল বিজিবি সেকেন্ড-হ্যান্ড স্মার্টফোন কেনার আগে যে ৭ বিষয় অবশ্যই যাচাই করবেন সান্তোসের ম্যাচ চলাকালে পোকার টুর্নামেন্টে নেইমার, নেটদুনিয়ায় বিতর্ক

আরমানিটোলায় অবস্থিত ঐতিহাসিক তারা মসজিদ

  • সবশেষ আপডেট : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৯৪ জন সংবাদটি দেখেছেন

মাজহাবিন মৌ: পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় অবস্থিত ঐতিহাসিক স্থাপনা,তারা মসজিদ। অনন্য অলঙ্করণ ও নকশার কারণে এটি বাংলাদেশের অন্যতম দৃষ্টিনন্দন মসজিদ হিসেবে পরিচিত।

উনিশ শতকের প্রথমার্ধে মির্জা গোলাম পীর, যিনি মির্জা আহমেদ জান নামেও পরিচিত, তিনি এই মসজিদ নির্মাণ করেন। শুরুতে এটি ছিল তিন গম্বুজ বিশিষ্ট একটি স্থাপনা।

মসজিদের দেয়ালে সাদা মার্বেল পাথরের ওপর নীল রঙের তারার মোটিফ এবং চমৎকার কাঁচের কাজ, এই বৈশিষ্ট্য থেকেই এর নামকরণ ‘তারা মসজিদ’। অলঙ্করণে ব্যবহৃত নীল তারার নকশা এটিকে অন্যান্য মসজিদ থেকে আলাদা করেছে।

১৯২৬ সালে ঢাকার স্থানীয় ব্যবসায়ী আলী জান বেপারী মসজিদটি সংস্কার ও সম্প্রসারণ করেন। এ সময় একটি অতিরিক্ত গম্বুজ যুক্ত করা হয় এবং স্থাপনাটি পাঁচ গম্বুজ বিশিষ্ট রূপ লাভ করে।

ঐতিহাসিক ও নান্দনিক গুরুত্বের কারণে তারা মসজিদ দেশের অন্যতম অলঙ্কৃত মসজিদ হিসেবে স্বীকৃত। এক সময় বাংলাদেশের পাঁচ টাকার নোটেও স্থান পেয়েছিল এই স্থাপনাটি।

বর্তমানে এটি ধর্মীয় উপাসনালয়ের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছেও একটি গুরুত্বপূর্ণ আকর্ষণ।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com