সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৩ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম চা শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ধেয়ে আসছে মৌসুমি নিম্নচাপ, বৃদ্ধি পাচ্ছে বাতাসের গতিবেগ এক যুবককে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন তিন বোন চিকিৎসার জন্য কোথায় যাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অক্টোবরে ভারতে খেলতে পারে ব্রাজিল, আলোচনায় বাংলাদেশও বিরামপুর সীমান্তে ৯ নারীকে ‘পুশ-ইন’ চেষ্টার অভিযোগ, প্রতিহত করল বিজিবি সেকেন্ড-হ্যান্ড স্মার্টফোন কেনার আগে যে ৭ বিষয় অবশ্যই যাচাই করবেন সান্তোসের ম্যাচ চলাকালে পোকার টুর্নামেন্টে নেইমার, নেটদুনিয়ায় বিতর্ক

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলারে উঠতে পারে: জ্বালানি বিশেষজ্ঞ

  • সবশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ১১৭ জন সংবাদটি দেখেছেন

আরএনবি আন্তর্জাতিক ডেস্ক |

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানের কারণে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন জ্বালানি অর্থনীতিবিদ এড হির্স।

হিউস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারার এড হির্স আল জাজিরাকে বলেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়া তেলের সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটলে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

তার মতে, যদি ওই পথ দিয়ে পরিবাহিত তেলের অর্ধেক সরবরাহও বন্ধ হয়ে যায় এবং মার্কিন নৌবাহিনী ট্যাঙ্কারগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে না পারে, তাহলে জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হবে।এড হির্স জানান, যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব ইতোমধ্যে জ্বালানি বাজারে পড়তে শুরু করেছে। হামলার প্রথম দিনেই এলএনজি বাজারে দাম ৪০ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে।

তিনি বলেন, ইউরোপে প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও দ্রুত বাড়ছে। সোমবার থেকে মঙ্গলবারের মধ্যে কিছু দেশে গ্যাসের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।এদিকে ডিজেলসহ অন্যান্য জ্বালানির দামও অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।এই পরিস্থিতির প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও পড়তে পারে বলে মনে করছেন এড হির্স।তার মতে, বিশেষ করে নিউ ইংল্যান্ড অঞ্চলে জ্বালানি সংকট দেখা দিলে তা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিকভাবে চাপ তৈরি করতে পারে, কারণ সামনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন রয়েছে।

হরমুজ প্রণালী ওমান ও ইরানের মাঝখানে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ, যা পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এবং সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়।সৌদি আরব, ইরাক, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো বড় তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর প্রধান রুট এটি।এ ছাড়া কাতার থেকে বিশ্ববাজারে সরবরাহ করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (LNG) বড় অংশও এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রণালীতে সামান্য বিঘ্ন ঘটলেও বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

সূত্র: আল-জাজিরা

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com