পবিত্র রমজান মাস শেষের দিকে। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে ঈদুল ফিতর উদযাপনের অপেক্ষা। কবে হতে পারে ঈদ—এ নিয়ে পূর্বাভাস দিয়েছে পাকিস্তানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেস অ্যান্ড আপার অ্যাটমোস্ফিয়ার রিসার্চ কমিশন (সুপারকো)।
সংস্থাটি জানিয়েছে, চলতি বছর পাকিস্তানে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বুধবার (১১ মার্চ) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সুপারকো জানায়, ১৯ মার্চ শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। ফলে রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
সুপারকোর তথ্য অনুযায়ী, ১৪৪৭ হিজরি শাওয়াল মাসের নতুন চাঁদের জন্ম হবে ১৯ মার্চ পাকিস্তান সময় সকাল ৬টা ২৩ মিনিটে। ওই দিন সূর্যাস্তের সময় চাঁদের বয়স হবে প্রায় ১২ ঘণ্টা ৪১ মিনিট। তবে সূর্যাস্ত ও চন্দ্রাস্তের মধ্যকার সময়ের ব্যবধান থাকবে মাত্র ২৮ মিনিট, যা চাঁদ দেখার জন্য পর্যাপ্ত নয়।
সাধারণত চাঁদ দেখার জন্য সূর্যাস্তের পর আকাশে চাঁদের অবস্থান ও উচ্চতা একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় থাকতে হয়। বৈজ্ঞানিক এই হিসাব অনুযায়ী, ২০ মার্চ সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা গেলে ২১ মার্চ হবে ১ শাওয়াল, অর্থাৎ ঈদুল ফিতর।
তবে সুপারকো স্পষ্ট করেছে, চাঁদ দেখার চূড়ান্ত ঘোষণা দেবে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় রুয়েত-ই-হিলাল কমিটি। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রাপ্ত সাক্ষ্য ও পর্যবেক্ষণ যাচাই করেই ইসলামী মাস শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানে দীর্ঘদিন ধরে বৈজ্ঞানিক গণনা ও ঐতিহ্যগত চাঁদ দেখা—দুই পদ্ধতির সমন্বয়ে ঈদের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। এ ক্ষেত্রে রুয়েত-ই-হিলাল কমিটিকে কারিগরি সহায়তা দিয়ে থাকে সুপারকো।
এ বছর পাকিস্তানে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজানের রোজা শুরু হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ২০ মার্চ সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা যাওয়ার পর ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে।