স্বল্পদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্রটিতে, নিষ্পাপ এক বাচ্চা মেয়েকে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে খুন করে উইলি বিংহাম নামের এক ভয়ংকর অপরাধী। তবে ওই দেশ থেকে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি উঠে যাওয়ায় ‘প্রগ্রেসিভ অ্যামপুটেশন’ নামের এক নতুন ধরণের শাস্তির মুখোমুখি করা হয় তাকে।
এরপর অন্যদের সাবধান করতেই হুইলচেয়ারে করেই অবাধ্য ও বখাটে কিশোরদের সামনে তাকে উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়। এ ছাড়া উইলিকে দিয়ে দেওয়ানো হয় বক্তৃতা, যাতে তার এই পরিণতি দেখে অন্য কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়।
শেষ পর্যন্ত শাস্তি শুরুর পাঁচ মাস পর পঞ্চম বারের অস্ত্রোপচারে ভুক্তভোগীর বাবার অনুমতিতে কেটে ফেলা হয় উইলির যৌনাঙ্গ। পুরুষত্ব হারিয়ে উইলি আর কোনো দিন কথা বলেননি।
অবশেষে আসে কাঙ্ক্ষিত সেই দিন। অপারেশন থিয়েটারের টেবিলে পড়ে থাকা উইলি নামের ‘মাংসপিণ্ডটা’র দিকে তাকিয়ে ভুক্তভোগীর বাবার চোখে দেখা যায় তৃপ্তির চাহনি। এই ধাপে উইলির হার্ট বা ব্রেন সার্জারি করা হবে। সে ঢলে পড়বে মৃত্যুর কোলে। তবে সবাইকে অবাক করে এই সার্জারিতে অনুমতি দিলেন না ভুক্তভোগীর বাবা। তিনি কর্তৃপক্ষের বাড়িয়ে দেওয়া ফাইলে স্বাক্ষর করে এই অবস্থায় রেখে দেন উইলিকে।
স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমাটিতে ন্যায়বিচার, মানুষের প্রতিশোধ পরায়ণতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে, যা দর্শকদের দীর্ঘ সময় ভাবিয়ে রাখে। চলচ্চিত্রটিতে উইলি বিংহামের চরিত্রে দারুণ অভিনয় করেছেন কেভিন ডি। ভুক্তভোগীর বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন টিম ফেরিস। এ ছাড়া বিচার নিশ্চিত করার দায়িত্বে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে থাকা জর্জি মর্টনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন গ্রেগরি জে. ফ্রায়ার। তার কণ্ঠেই সামনের দিকে এগিয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্রটি।
এদিকে ৮ বছরের শিশু রামিসার ধর্ষণ ও হত্যাকারীর দ্রুত বিচার ও শাস্তির দাবি এখন সময়ের দাবি। দেশের আইনে তার সর্বোচ্চ শাস্তি দ্রুততম সময়ে কার্যকর হোক এমন দাবি এখন জনমনে। এমন নৃশংসতার জন্য অপরাধীর জন্য সর্টফিল্মটিতে দেখানো শাস্তি প্রাসঙ্গিক মনে করছেন অনেক সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারী।