মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৯৩ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম চা শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ধেয়ে আসছে মৌসুমি নিম্নচাপ, বৃদ্ধি পাচ্ছে বাতাসের গতিবেগ এক যুবককে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন তিন বোন চিকিৎসার জন্য কোথায় যাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অক্টোবরে ভারতে খেলতে পারে ব্রাজিল, আলোচনায় বাংলাদেশও বিরামপুর সীমান্তে ৯ নারীকে ‘পুশ-ইন’ চেষ্টার অভিযোগ, প্রতিহত করল বিজিবি সেকেন্ড-হ্যান্ড স্মার্টফোন কেনার আগে যে ৭ বিষয় অবশ্যই যাচাই করবেন সান্তোসের ম্যাচ চলাকালে পোকার টুর্নামেন্টে নেইমার, নেটদুনিয়ায় বিতর্ক

নতুন যুদ্ধের আশঙ্কায় উদ্বেগ প্রকাশ করল ফ্রান্স ও অস্ট্রেলিয়া

  • সবশেষ আপডেট : বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৯০ জন সংবাদটি দেখেছেন

থাইল্যান্ড–কম্বোডিয়া সীমান্তে নতুন করে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে ফ্রান্স ও অস্ট্রেলিয়া। পৃথক বিবৃতিতে দুই দেশই চলমান সহিংসতার নিন্দা জানিয়ে দ্রুত যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে।

কম্বোডিয়ায় অবস্থিত ফ্রান্সের দূতাবাস এক বিবৃতিতে জানায়, সামরিক উত্তেজনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী দ্রুত পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি কার্যকরের ওপর গুরুত্ব দেয় প্যারিস।
অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তাদের বিবৃতিতে সংঘর্ষ বন্ধে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার প্রতি সমর্থন জানিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানায়।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্রান্স ঐতিহাসিকভাবে ১৮৬৩ সাল থেকে প্রায় ৯০ বছর কম্বোডিয়ার প্রটেক্টোরেট শাসন পরিচালনা করেছিল। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া বহুদিন ধরে মেকং অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে আসছে।

এদিকে সীমান্তজুড়ে নতুন করে ভয়াবহ সংঘর্ষ শুরুর পর দুই দেশের হাজারো মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে পালিয়ে গেছে। তীব্র লড়াইয়ে এখন পর্যন্ত অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছে। গত জুলাইয়ের যুদ্ধবিরতির পর এটিই দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংঘর্ষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

উভয় দেশই একে অপরকে হামলা শুরুর জন্য দায়ী করেছে। থাই প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল বলেন, থাইল্যান্ড সহিংসতা চায় না, তবে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে।
অন্যদিকে কম্বোডিয়ার সাবেক নেতা হুন সেন থাই বাহিনীকে ‘আক্রমণকারী’ আখ্যা দিয়ে প্রতিশোধমূলক হামলার ঘোষণা দেন।

গত মে থেকে বাড়তে থাকা উত্তেজনায় এখন পর্যন্ত ৪০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। সীমান্ত বন্ধ, খাদ্য ও পণ্য আমদানিতে বাধা এবং ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় পরিস্থিতি আরও সংকটপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com