মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০১:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৯৩ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম চা শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ধেয়ে আসছে মৌসুমি নিম্নচাপ, বৃদ্ধি পাচ্ছে বাতাসের গতিবেগ এক যুবককে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন তিন বোন চিকিৎসার জন্য কোথায় যাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অক্টোবরে ভারতে খেলতে পারে ব্রাজিল, আলোচনায় বাংলাদেশও বিরামপুর সীমান্তে ৯ নারীকে ‘পুশ-ইন’ চেষ্টার অভিযোগ, প্রতিহত করল বিজিবি সেকেন্ড-হ্যান্ড স্মার্টফোন কেনার আগে যে ৭ বিষয় অবশ্যই যাচাই করবেন সান্তোসের ম্যাচ চলাকালে পোকার টুর্নামেন্টে নেইমার, নেটদুনিয়ায় বিতর্ক

বড়দিনে পুতিনের ‘মৃত্যু কামনা’ করলেন জেলেনস্কি

  • সবশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১০৩ জন সংবাদটি দেখেছেন

বড়দিন উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন–এর বিরুদ্ধে কঠোর ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তার এই মন্তব্যকে অনেকেই পুতিনের ‘মৃত্যু কামনা’ হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়। ক্রিসমাসের আগের দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, “রাশিয়া যত কষ্টই চাপিয়ে দিক না কেন, তারা ইউক্রেনীয়দের হৃদয়, পারস্পরিক বিশ্বাস ও ঐক্য ধ্বংস করতে পারবে না।”

পুতিনের নাম সরাসরি উল্লেখ না করে তিনি আরও বলেন, “আজ আমরা সবাই একটি স্বপ্ন ভাগ করে নিচ্ছি। আর সবার জন্য আমাদের একটি ইচ্ছা—‘সে ধ্বংস হোক’।”
এই বক্তব্যকে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা রুশ নেতৃত্বের প্রতি তার সবচেয়ে কঠোর ইঙ্গিতগুলোর একটি হিসেবে দেখছেন।

কঠোর ভাষার পাশাপাশি শান্তির আহ্বানও পুনর্ব্যক্ত করেন জেলেনস্কি। তিনি বলেন, “আমরা ঈশ্বরের কাছে আরও বড় কিছু চাই—ইউক্রেনের জন্য শান্তি। আমরা এর জন্য লড়ছি, প্রার্থনা করছি এবং আমরা তা পাওয়ার যোগ্য। ক্রিসমাস বার্তায় রাশিয়ার সামরিক অভিযানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “ক্রিসমাসের প্রাক্কালে রাশিয়া আবারও দেখিয়েছে তারা আসলে কারা। ব্যাপক গোলাবর্ষণ, শত শত শাহেদ ড্রোন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও কিনঝাল হামলা—সবকিছুই ব্যবহার করা হয়েছে।”

এদিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে জেলেনস্কি যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে ইউক্রেন দেশের পূর্বাঞ্চলীয় শিল্পাঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহারে প্রস্তুত থাকতে পারে।

তবে তিনি শর্ত দেন, “রাশিয়াকেও একইভাবে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে এবং ওই অঞ্চল আন্তর্জাতিক বাহিনীর তত্ত্বাবধানে একটি নিরস্ত্রীকৃত অঞ্চলে পরিণত করতে হবে।” বিশ্লেষকদের মতে, বড়দিনের দিনে দেওয়া জেলেনস্কির এই বক্তব্য একদিকে যেমন রাশিয়ার বিরুদ্ধে তার কঠোর অবস্থান তুলে ধরে, অন্যদিকে তেমনি যুদ্ধ অবসানে কূটনৈতিক সমাধানের দরজাও খোলা রাখে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com