আরএনবি ডেস্কঃ
পবিত্র মাহে রমজান অন্য সব মাসের তুলনায় ইবাদত ও আমলের জন্য বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ। এ মাসে রোজা, কোরআন তিলাওয়াত, নামাজ–সহ সকল নেক আমলের সওয়াব বহু গুণ বৃদ্ধি পায়। ঠিক তেমনই দান-খয়রাত ও সদকা রমজানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যার ফজিলত সাধারণ সময়ের তুলনায় অনেক বেশি।
রমজানে দানের বিশেষ মর্যাদা-হাদিসে এসেছে—রমজানে দান করলে অন্য মাসের তুলনায় ৭০ গুণ বা তারও বেশি সওয়াব দান করা হয়। শুধু সওয়াব নয়, দান-সদকা মানুষের রিজিকে বরকত, দুর্দশা থেকে রক্ষা, এবং ঈমানের শক্তি বৃদ্ধি করে।
কুরআনের আলোকে দান-খয়রাতের গুরুত্ব
আল্লাহ তাআলা বলেন—“যারা আল্লাহর কিতাব তিলাওয়াত করে, নামাজ কায়েম করে এবং আল্লাহ প্রদত্ত রিজিক থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে, তারা এমন ব্যবসার প্রত্যাশা করতে পারে যা কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। যাতে আল্লাহ তাদের পূর্ণ প্রতিফল দেন এবং আরও বেশি অনুগ্রহ দান করেন।”
— সুরা ফাতির: ২৯–৩০
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত—
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
“দানকারী আল্লাহর কাছে নিকটবর্তী, জান্নাতের নিকটবর্তী এবং মানুষের কাছেও প্রিয়। আর কৃপণ ব্যক্তি আল্লাহ থেকে দূরে, জান্নাত থেকে দূরে এবং মানুষের কাছেও দূরবর্তী।”
(সহিহ বোখারি: ১৮১৩)
তিনি আরও বলেছেন—একজন অজ্ঞ দানশীল ব্যক্তি একজন কৃপণ এবাদতকারীর তুলনায় আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয়।সামাজিক দায়িত্ব ও মানবতা রমজান শুধু আত্মশুদ্ধির মাসই নয়, বরং মানবিকতার সেরা প্রকাশের সময়। গরিব-দুঃখী, অভাবী, আত্মীয়-স্বজন এবং প্রতিবেশীদের সহযোগিতা করা রমজানের অন্যতম শিক্ষা।