পঞ্চগড়ে শীতের দাপট ক্রমেই বাড়ছে। টানা তিন দিন ধরে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে অবস্থান করছে। ডিসেম্বরের শুরুতেই হিমেল বাতাসে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে উঠেছে। দিন ও
উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। মাত্র একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমেছে ১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এতে সারাদেশের তুলনায় আগে থেকেই শীতের তীব্রতা অনুভূত হচ্ছে এই জনপদে।
উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে শীতের প্রভাব দিন দিন প্রকট হচ্ছে। টানা পাঁচ দিন ধরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে ঘোরাফেরা করায় শীতের অনুভূতি আরও বেড়েছে এলাকাজুড়ে। ভোরের কনকনে হাওয়া আর
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় আবারও হিমেল বাতাসে নেমেছে শীতের তীব্রতা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে জেলার তাপমাত্রা কমে দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। হিমালয় থেকে নেমে আসা ঠান্ডা বাতাস ও ঘন কুয়াশায় পুরো
রাজধানী ঢাকায় আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শনিবার (২২ নভেম্বর) বিকেল ৬টা ৬ মিনিট ৪ সেকেন্ডে এ কম্পন অনুভূত হয়। ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৩.৭ এবং
দেশে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শনিবার (২২ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় হালকা ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৩.৩। বাংলাদেশ আবহাওয়া
২১ নভেম্বর সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে নরসিংদী থেকে প্রায় ১৪ কিমি দূরে রিখটার স্কেলে ৫.৫ থেকে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এতে নরসিংদীতেই বাবা-ছেলেসহ পাঁচজন আর সারাদেশে অন্তত ১০ জনের
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় অনুভূত শক্তিশালী ভূমিকম্পের কম্পন রংপুরেও ছড়িয়ে পড়ে। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে এ কম্পন হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৫। বিষয়টি
দক্ষিণ-পূর্ব আন্দামান সাগরে নতুন একটি আবহাওয়া সিস্টেম গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)। তাদের মতে, এলাকায় সৃষ্টি হওয়া সার্কুলেশন আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লঘুচাপে পরিণত হতে
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আজ শুক্রবার সকালেই অনুভূত হয়েছে শক্তিশালী ভূমিকম্প। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, ৫.৭ মাত্রার এই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল নরসিংদীর মাধবদী। হঠাৎ সৃষ্ট এ কম্পনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে