বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা পবিত্র রমজানকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দক্ষিণ এশিয়া থেকে মধ্যপ্রাচ্য—সবার নজর এখন আকাশের দিকে, নতুন চাঁদ দেখার অপেক্ষায়। তবে বিভিন্ন দেশের জ্যোতির্বিদ সংস্থা ও ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক হিসাবে
হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সঠিক খাদ্যাভ্যাস। বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনারি ধমনিতে চর্বি জমা, উচ্চ রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে
শীতকালে শুষ্ক বাতাসের প্রভাবে ত্বকের মতো চুলও আর্দ্রতা হারায়। তার ওপর ধুলাবালির দাপটে চুল হয়ে ওঠে রুক্ষ ও নিষ্প্রাণ। ফলে সহজেই জট লাগে, চিরুনি দিলেই ঝরে পড়ে অনেক চুল। এই
নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াতকারীদের মর্যাদা ইসলামে অত্যন্ত উচ্চ। হাদিসে তাঁদেরকে আল্লাহর বিশেষ বান্দা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হজরত আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—“কিছু মানুষ আল্লাহর পরিজন।” সাহাবিরা
শীতকাল শরীরচর্চার জন্য অনুকূল সময় হলেও কখন ব্যায়াম করা হবে—এই সিদ্ধান্তটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ঠান্ডা আবহাওয়া, কুয়াশা এবং সূর্যালোকের সীমিত উপস্থিতির কারণে ভুল সময়ে ব্যায়াম করলে উপকারের চেয়ে ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি
শীতের দিনে ত্বকের আর্দ্রতা দ্রুত কমে যায়। ফলে অনেকের মুখে রুক্ষভাব, চুলকানি, ছোট ছোট র্যাশ বা জ্বালাপোড়া দেখা দেয়। এ সময় ত্বকের স্বাভাবিক কোলাজেন কার্যক্রমও কিছুটা কমে, যার কারণে দাগছোপ
শীতের সময়ে ছোট দিন আর দীর্ঘ রাত অনেকের মনেই এক ধরনের বিষণ্নতা তৈরি করে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘সিজনাল অ্যাফেক্টিভ ডিসঅর্ডার’ (এসএডি) বা শীতকালীন অবসাদ। সূর্যালোকের অভাব আর
শীতের ঠান্ডা, ধুলাবালি কিংবা অ্যালার্জির কারণে নাক বন্ধ হয়ে গেলে দৈনন্দিন জীবন অনেকটাই অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে। ঠিকভাবে শ্বাস নিতে না পারা, রাতে ঘুমের ব্যাঘাত কিংবা কাজের সময় মনোযোগ হারিয়ে ফেলা—এ
শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী স্মার্টফোনের চার্জ নিয়ে নানা সমস্যার মুখে পড়ছেন। কেউ লক্ষ্য করছেন ফোন চার্জ নিতে সময় বেশি লাগছে, আবার কারও ক্ষেত্রে চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে
দেশে তীব্র শীতের কারণে উলের পোশাক ব্যবহারে বেড়েছে চুলকানি ও ত্বকের অস্বস্তির অভিযোগ। চিকিৎসকদের মতে, উলের অমসৃণ তন্তু, কাপড়ে ব্যবহৃত রং বা রাসায়নিক এবং ঘাম জমে থাকার কারণেই মূলত এই